শুক্রবার, ১৯শে এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

তৃণমূল কাউন্সিলর অদিতি মুন্সীর স্বামী দেবরাজ চক্রবর্তীকে তলব করল সিবিআই

News Sundarban.com :
জানুয়ারি ২৫, ২০২৪
news-image

নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বিধাননগর পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলর তথা গায়িকা-বিধায়ক অদিতি মুন্সীর স্বামী দেবরাজ চক্রবর্তীকে তলব করে সিবিআই। বুধবার দেবরাজকে তলব করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। একই সঙ্গে ওই একই মামলায় তলব করা হয় কলকাতা পুরসভার ১০১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তকেও। বৃহস্পতিবারেই দুই তৃণমূল নেতাকে কলকাতার সিবিআই দফতর নিজাম প্যালেসে হাজিরার নির্দেশ দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা নাগাদ সিবিআই দফতরে পৌঁছন দেবরাজ এবং বাপ্পাদিত্য। নিজাম প্যালেসে ঢোকার সময় দেবরাজ বলেন, ‘‘বুধবার নোটিস দিয়ে বৃহস্পতিবার ডাকা হয়েছে। খুব অল্প সময় দেওয়া হয়েছে। ২৪ ঘণ্টাও দেওয়া হয়নি। তবে আমি তদন্তে সহযোগিতা করব।’’ তদন্তে সহযোগিতা করবেন বলে জানান বাপ্পাদিত্যও।

প্রসঙ্গত, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বেশ কিছুদিন ধরে জোরকদমে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ২০২২ সালে গ্রেফতার করা হয়েছে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। বর্তমানে জেলবন্দি তিনি। ধৃতদের তালিকায় রয়েছে একাধিক প্রভাবশালীর নাম। এদিকে দুর্নীতির শিকড়ে পৌঁছতে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

তদন্তের অংশ হিসেবেই গত নভেম্বরে দেবরাজ চক্রবর্তীর বাড়িতে হানা দেয় সিবিআই। তাঁর বাড়ি, অফিসের পাশাপাশি মেয়র পারিষদের স্ত্রী অদিতি মুন্সির স্কুলেও হানা দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। তবে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশির পর খালি হাতেই ফেরেন আধিকারিকরা। যদিও সূত্রের খবর, কাউন্সিলরের অফিসে টেটের প্রশ্নপত্র মিলেছিল।

কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, কলকাতা হাই কোর্টের শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত যে রিপোর্ট সিবিআই জমা দিয়েছে, তাতে দেবরাজ এবং বাপ্পাদিত্যের নাম রয়েছে। বিচারপতি অমৃতা সিংহের বেঞ্চে জমা পড়া ওই রিপোর্টে দুই তৃণমূল নেতাকে নিয়োগ দুর্নীতির ‘এজেন্ট’ হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে বলেও সিবিআই সূত্রে খবর। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, তৃণমূলের দুই কাউন্সিলর ছাড়াও ‘এজেন্ট’ হিসাবে মহিদুল আনসারি, জফিকুল ইসলাম, সজল কর এবং সৌরভ ঘোষের নামের উল্লেখ রয়েছে।