শুক্রবার, ১৭ই মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

নামখানা ব্লকে তৃণমূল কংগ্রেস জয় লাভ করবে : অজিত কুমার গিরি

News Sundarban.com :
জুলাই ১, ২০২৩
news-image

দক্ষিণ ২৪ পরগনার নামখানা ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতির ৮ নং যোন থেকে তৃনমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হয়েছেন অজিত কুমার গিরি। পার্থীর মুখোমুখি হয়ে সাক্ষাৎকার নিলেন newssundarban.com এর রিপোর্টার ঝোটন রয়। 

প্রশ্ন: এবারে লড়াইটা কে আপনি কেমন ভাবে দেখছেন।
উত্তর: লড়াইটা লড়াই এর জায়গায় থাকবে। তৃণমূল কংগ্রেস, বিজেপি, সিপিআইএম, কংগ্রেস এবং নির্দলও রয়েছে। কিন্তু এই নামখানা ব্লকে তৃণমূল কংগ্রেস জয় লাভ করবে।

প্রশ্ন: মনোনয়ন জমা দিতে গিয়ে কি কোনো সমস্যা হয়েছিল।
উত্তর: মনোনয়ন জমা দিতে গিয়ে কোনো সমস্যা হয়নি।

প্রশ্ন: ভোটে জেতার ব্যাপারে আপনি কতটা আশাবাদী।
উত্তর: ভোটে জেতার ব্যাপারে আমি ১০০ শতাংশ আশাবাদী যে তৃণমূল কংগ্রেস জিতবে।

প্রশ্ন: গত পাঁচ বছরে আপনারা মানুষকে কি দিয়েছেন।
উত্তর: উন্নয়ন যেমনই হওয়া উচিত রাস্তা ঘাট থেকে শুরু করে পানীয় জল। আগে যে সমস্ত বাড়িতে বিদ্যুৎ ছিল না সেইসব বাড়িতে বাড়িতে এখন বৈদ্যুতিক আলো জ্বলছে। আমরা আসার পর প্রাকৃতিক বিপর্যয় আমফান, বুলবুল এসেছে, আমরা সেগুলোকে সুশৃংখলভাবে মোকাবিলা করেছি। মানুষ সুন্দরভাবে পরিষেবা পেয়েছে এই নিয়ে মানুষের মধ্যে কোনো ক্ষোভ নেই।

প্রশ্ন: সাধারণত যে সময় ভোট পর্ব হয় তার থেকে অনেকটা পিছিয়ে গেছে। গ্রামগঞ্জের মানুষদের ক্ষেত্রে একটা চাষের মোরসুম। অধিকাংশ সময় চাষের কাজের জন্য ব্যস্ত। এরকম অবস্থাতে আপনার মনে হচ্ছে না যে ভোটে কোনো এফেক্ট পড়তে পারে।
উত্তর: ভোটপর্ব বর্ষাকালে ভোট করতে গিয়ে সমস্যা হয়। এর আগেও যখন আমাদের কমিশনার মীরা পাণ্ডে ছিলেন তখন কিন্তু ভোট পিছিয়ে গিয়েছিল। এবারে ও তাই। খুব একটা এফেক্ট পড়বে না কারণ বর্ষা এখনো পর্যন্ত ঠিক ঠিকভাবে নামেনি এবং মানুষও চাষের কাজে সম্পূর্ণভাবে তৈরি নয়। মানুষ সুস্থ এবং স্বাভাবিকভাবে ভোট দিতে পারবে।

প্রশ্ন: মানুষের জন্য পরবর্তী পরিকল্পনা কি রয়েছে।
উত্তর: মানুষের অনেক কিছু আমরা সুনিশ্চিত করতে চাই যেমন বাসস্থান। মানুষের কাছে আবাস যোজনার যে প্রকল্পটা না হওয়ার কারণে মানুষের মধ্যে একটা ক্ষোভ রয়েছে। আমাদের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন আবাস প্রকল্পের টাকা কেন্দ্রীয় সরকার যদি না ছাড়ে তাহলে উনি ওনার নিজের প্রকল্প অর্থাৎ গীতাঞ্জলির মতো প্রকল্পের মাধ্যমে আবাস প্রকল্পকে সুনিশ্চিত করতে পারবে।

প্রশ্ন: সভা সমিতির মাধ্যমে প্রচার, অথবা বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচার কোনটার উপর আপনি বেশি জোর দিচ্ছেন।
উত্তর: বাড়িতে বাড়িতে প্রচারে বেশি জোর দিয়েছি। সভা হচ্ছে কিন্তু আমরা বাড়ি বাড়ি প্রচার করছি। আমাদের নেত্রীর যে বার্তা, প্রকল্প রয়েছে সেটা আমরা মানুষের সামনে তুলে ধরছি।

প্রশ্ন: জনজোয়ার কর্মসূচিতে হেভি ওয়েট নেতারা এসেছিলেন নামখানাতে। এই কর্মসূচিতে সাধারণ মানুষকে কেমন ভাবে অক্সিজেন জগিয়েছে।
উত্তর: এই জনজোয়ার এর ফলে মানুষকে যথেষ্ট অক্সিজেন দিয়েছে। ঐদিন মানুষ যেভাবে উদ্বুদ্ধ হয়েছে এতে দেখা গেছে জনমত নির্বিশেষে গিয়েছেন। নারায়নপুরে যখন শেষ পর্ব হলো সখানে প্রচুর মানুষের ভিড় জমেছিল। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে শুরু করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য শুনেছে।

প্রশ্ন: এবারে জিতে এলে আপনি জনগণের উদ্দেশ্যে কিসের বার্তা দিতে চান
উত্তর: যেভাবে মানুষের পাশে রয়েছি এবারে জিতে এলেও মানুষের পাশে থাকব। মানুষের সুখ দুঃখের সাথী হতে পারি। তাদের পরিষেবা দেওয়ার জন্য আমি বদ্ধপরিকর।

প্রশ্ন: আপনাদের ঊর্ধ্বতন নেতৃত্ব বারবার বলেছেন বিভিন্ন মন্ত্রীদেরকে গ্রামে গ্রামে গিয়ে প্রচারে ব্যস্ত থাকতে। এইরকম অবস্থাতে আপনারা কোন মন্ত্রী কে নিয়ে এসে প্রচার করতে চান বা প্রচার করেছেন।
উত্তর: আমাদের এই এলাকায় সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা এসেছেন। উনি মৌশুনী থেকে শুরু করে পাতিবুনীয়া, নামখানায় এসে সভা করেছেন।