মঙ্গলবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

রাজনীতির পাশাপাশি সোশ্যাল ওয়ার্ককে গুরুত্ব দেন জলপাইগুড়ির কংগ্রেস প্রার্থী বিমল পাল চৌধুরী

News Sundarban.com :
ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২২
news-image

নিজস্ব প্রতিনিধি জলপাইগুড়ি: রাজনীতির পাশাপাশি সোশ্যাল ওয়ার্ককে গুরত্ব দেন ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাম সমর্থিত কংগ্রেস প্রার্থী বিমল পাল চৌধুরী। এমনকি নিজের জমানো সম্পত্তি পর্যন্ত নেই তার। তিনি জানান, তার বাবা একজন স্বাধীনতা সংগ্রামী ছিলেন। বাবাকে দেখেই তিনি অল্প বয়সেই কংগ্রেস করা শিখেছিলেন। তাঁর কথায়, “তখন তো পার্টি ফান্ড থেকে তেমন টাকা আসতো না। কারও বিয়ের জন্য টাকার দরকার, বাবা জমি বিক্রি করে টাকা দিয়ে সাহায্য করতেন।

বিগত তিন বারের জয়ী কাউন্সিলর বিমল বাবু বলেন, গত বছর আমি চৌদ্দশ বেশি ভোটে জিতেছি এই ওয়ার্ড থেকে। মানুষ যেভাবে আমাকে ভালোবাসে, যেভাবে আশীর্বাদ করছে, তাতে এবারও আমার ভোটের ফলাফল খুব ভালো হবে। বহু বছর ধরে আমি রাজনীতি করি। একদম ছোটবেলা থেকেই। এই এলাকার মানুষের সঙ্গে আমার সম্পর্ক অসম্ভব ভালো। কোভিড সময় আমরা আমাদের সামর্থ্য মত কাজ করেছি। মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি।

তিনি জানান, জলপাইগুড়ির পঁচিশটা ওয়ার্ডের মধ্যে আমার এই ওয়ার্ডে সবথেকে বেশি ঘর পেয়েছে মানুষ। প্রায় সাড়ে তিনশো চারশো কাছাকাছি। আরো কিছু হলে এখানে আর হাউস ফর অল পরিষেবা বাকি থাকবেনা। বার্ধক্য ভাতা বিধবা ভাতা এই ওয়ার্ডে সবথেকে বেশি মানুষ পেয়েছে। তিনি বলেন, সবথেকে বেশি সাহায্য আমি মানুষকে এই ওয়ার্ডে দিতে পেরেছি, তাই আমার নিজেকে গর্বিত মনে হয়। গরিব মানুষেরা খুব উপকৃত হয়েছেন তাই আমাকে এলাকার সব দলের লোকেরা প্রচুর ভালোবাসে।

 

তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বিমলবাবু বলেন, আমার ওয়ার্ডে বর্তমান যারা শাসক দলের হয়ে রাজনীতি করছেন, তারা একসময় আমার সাথেই কংগ্রেস করতো। কিন্তু এখন তারা তৃণমূলে ঢুকে যেভাবে ষড়যন্ত্র করছে, তা ভাষায় বলা যায় না। ফ্লেক্স ব্যানার ছিঁড়ে দিচ্ছে, পতাকা ছিঁড়ে দিচ্ছে। এতদিন এই ওয়ার্ডে কোনও দল এই ধরনের কাজ করতো না। কিন্তু এখন তারা যেভাবে শুরু করেছে তা খুব নিন্দনীয়। তাদের মনে ভয় ঢুকে গেছে যে তারা আমাকে হারাতে পারবে না। নিরপেক্ষ ভোট হলে ওরা অনেক ভোটে হারবে।

তাঁর কথায়, অন্যায় করলে আমি অন্যায়ের প্রতিবাদ করি। এটা আমার ধর্ম। যত বড়ই শক্তি হোক না কেন, যে কোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমার লড়াই করার সাহস আছে। শুধু আমাদের ওয়ার্ডেই নয়, যেকোনো ওয়ার্ডে মানুষ এদের ভোট দিয়ে নিয়ে এলে কোনও আইন কোনও শান্তি থাকবে না। শিলিগুড়িতে মানুষ সঠিক ভাবে ভোট দিতে পারে নি। যদি নিরপেক্ষ ভোট হতো, তাহলে অশোক ভট্টাচার্যের মত মানুষ হারত না। তিনি বলেন, বাম কংগ্রেস জোট পুরসভা বোর্ড গঠন করলে আমরা এরকম উশৃংখল হতে দেব না। ভয় দেখিয়ে, ধমকে আর মিথ্যা ভাষণ দিয়ে কোনও কাজ হয় না। আমরা বোর্ড গঠন করলে কাজ করবো মানুষের স্বার্থে।