শুক্রবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

আইপিএল শুরু হবে ৯ এপ্রিল, মুম্বাইয়ে করোনার প্রকোপ চিন্তায় ফেলেছে বিসিসিআইকে

News Sundarban.com :
এপ্রিল ৫, ২০২১
news-image

করোনায় জেরবার এ শহর। কেবল মুম্বাই–ই নয়, গোটা মহারাষ্ট্র রাজ্যেই করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শঙ্কা সৃষ্টি করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মহারাষ্ট্রে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৫০ হাজারের ওপর। মুম্বাই শহরে এ সংখ্যা ৯ হাজারের বেশি।

মুম্বাইয়ের এ অবস্থায় বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলীকে একটা বিশেষ প্রস্তাব দিয়েছেন সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আজহারউদ্দিন। তিনি মুম্বাইয়ের ম্যাচগুলো নিয়ে যেতে চান তাঁর নিজের শহর হায়দরাবাদে। টুইট করে তিনি এ আহ্বান জানান। উল্লেখ্য, এবারের আইপিএলে হায়দরাবাদে কোনো ম্যাচ দেয়নি বিসিসিআই। এ নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। আজহারউদ্দিন নিজেও হায়দরাবাদ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের (এইচসিএ) প্রধান। হায়দরাবাদের রাজনীতিকেরাও হায়দরাবাদে ম্যাচ না দেওয়ায় বিসিসিআইয়ের কড়া সমালোচনা করেছিলেন।

আজহারউদ্দিন এমন একটা সময় সৌরভকে এ প্রস্তাব দিলেন, যখন বিসিসিআইও মুম্বাইয়ের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে বেশ চিন্তিত। তবে তারা মুম্বাই নিয়ে এখনো বেশ আশাবাদী। ৯ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া আইপিএলে এরই মধ্যে করোনা হুমকি হিসেবে দেখা দিয়েছেন। ভারতে করোনার প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর গত ২৪ ঘণ্টায় ১ লাখের বেশি মানুষ এতে আক্রান্ত হয়েছেন। যেটি রেকর্ড। এ অবস্থায় আইপিএল আয়োজন নিয়ে শঙ্কা তো তৈরি হচ্ছেই।

মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে হবে এবারের আইপিএলের ১০ ম্যাচ।

এরই মধ্যে মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামের আটজন গ্রাউন্ডসম্যান করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। চেন্নাই সুপারকিংসের একজন কর্মকর্তাসহ কলকাতা নাইটরাইডার্সের নিতিশ রানা, দিল্লি ক্যাপিটালসের অক্ষর প্যাটেল আর রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর দেবদূত পাডিকল করোনায় আক্রান্ত। এ জন্য বিসিসিআই রীতিমতো চিন্তিত। বোর্ড মুম্বাইয়ের বিকল্প ভেন্যু হিসেবে কিন্তু হায়দরাবাদকেও প্রস্তুত রাখার কথা ভাবছে। তৈরি রাখা হচ্ছে ইন্দোরকেও।

আজহার টুইটে লিখেছেন, ‘এই কঠিন পরিস্থিতিতে আমাদের সবাইকে হাতে হাত রেখে দাঁড়াতে হবে। আইপিএল যেন সুন্দরভাবে আয়োজিত হতে পারে, সে জন্য ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড হায়দরাবাদের ক্রিকেট অবকাঠামোর সুবিধা ব্যবহার করতে পারে।’

তবে মুম্বাই থেকে ম্যাচ সরিয়ে নেওয়ার পক্ষে সময়টা বড্ড কম বলেই মনে করেন বিসিসিআইয়ের কর্তারা। তবে পরিস্থিতি খারাপের দিকে গেলে অন্য কিছু বিসিসিআইকে ভাবতেও হতে পারে।