রবিবার, ১৯শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

‘মেট্রো’ কলকাতাবাসীর নস্ট্যালজিয়াকে ফিরিয়ে আনছে

News Sundarban.com :
জুন ৮, ২০১৮
news-image

জওহরলাল নেহরু রোডের পাশে মাথা তুলে এখনও দাঁড়িয়ে মেট্রো সিনেমা হল ৷ তবে ওই যে, আধুনিকীরনের কাছে এক এক করে হার মেনেছে অতীত ৷ অতীতের সাক্ষরগুলো যেন হারিয়ে যাচ্ছে ধীরে ধীরে ৷ মাল্টিপ্লেক্সের ‘দৌরাত্ম্যে’ কয়েক বছরের মধ্যেই কলকাতার বুক থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে বেশ কিছু সিনেমা হল। গ্লোব, লাইটহাউজ, নিউ এম্পায়ার, এলিট-এর মতো একদিন দরজা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল মেট্রোরও।এসপ্ল্যানেড অঞ্চলের গ্ল্যামারাস সিনেমা হল বলতে মেট্রো হলটিই ভেসে উঠত এক সময়ে, আর সেই মেট্রো সিনেমা আবার কলকাতাবাসীর নস্ট্যালজিয়াকে ফিরিয়ে আনছে ।
সালটা ১৯৩৪ ৷ মেট্রো-গোল্ডউইন-মায়ের কলকাতায় তাদের চলচ্চিত্রের বিপণনের জন্য এই সিনেমা হল তৈরির পরিকল্পনা করেছিল। শুরু হল তোড়জোর ৷ ওই সালেই নিউ ইয়র্কের এক বিখ্যাত স্থপতি টমার ল্যাম্ব একটি সিনেমা হলের নকসা তৈরি করেন ৷ আর সেই নকসার আদলেই এসপ্ল্যানেডের জওহরলাল নেহরু রোডের উপর গড়ে ওঠে ‘মেট্রো’সিনেমা হল ৷ সে তখন একটা বিরাট ব্যাপার ৷ কলকাতার বুকে একটা ঝাঁ চকচকে সিনেমা হল দেখল কলকাতাবাসী ৷ ১৯৩৫ সালে ‘ওয়ে আউট ওয়েস্ট’সিনেমাটি প্রদর্শনের মাধ্যমে এই প্রেক্ষাগৃহের পথ চলা শুরু ৷ এরপর এই হলে কত যে দেশি ও বিদেশি ছবি দেখানো হয়েছে, তার কোনও ইয়ত্তা নেই ৷
খবর অনুযায়ী, চলতি বছরের নভেম্বরেই হয়তো ফের দেখা দেবে মেট্রো সিনেমা। মেট্রো সিনেমার সংস্কারের কাজ শুরু হয় ২০১৫ সালে। মুম্বইয়ের ‘মেট্রো রিয়্যালিটি’ সংস্কারের কাজ করছে। এবং সংস্থার তরফ থেকে নেস্টর ডি’সুজা জানিয়েছেন, এ বছরের দিওয়ালিতেই জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হবে মেট্রো। মেট্রোর সামনের ডিজাইন একই থাকবে বলে জানিয়েছেন রিয়্যালিটি সংস্থার ভাইস-প্রেসিডেন্ট নেস্টর ডি’সুজা। এর ফলে মেট্রো হলের ‘হেরিটেজ লুক’ বজায় থাকবে। হচ্ছে আরও নতুন কারুকার্য যেমন, টু স্ক্রিন মাল্টিপ্লেক্স (দু’টি অডিটোরিয়ামে থাকবে ৪৫০টি সিট), থাকবে মাল্টি-ইউজ রিটেল ডেস্টিনেশন ও ফুড কোর্ট ।