শনিবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ

বাঙালির জীবন থেকে কি হারাতে ব্সেছে পিঠেপুলি ?

News Sundarban.com :
জানুয়ারি ১৪, ২০১৮
news-image

শ্রেয়শ্রী ব্যানার্জী:

সব তীর্থ বার বার গঙ্গাসাগর একবার, আজকের দিনে দাঁড়িয়ে এই কথা মলাট বন্দী সাহিত্যের পাতায় মানায়। আজ গঙ্গাসাগর যাওয়া সাধারন মানুষের কাছে সহজলভ্য। দেশদেশান্তরের মানুষজন মোক্ষ লাভের আশায় মকর সংক্রন্তিতে ছুটে যান গঙ্গাসাগর মেলায়। পুরাণে আছে কপিল মুনির কথা। যিনি সগর রাজা কে অভিষাপ দেন এবং তাঁর অভিষাপ মুক্ত করতেই নাকি দেবী গঙ্গার মর্তে আগমন। গঙ্গা যেখানে সাগরে মিসেছে সেই মোহনার পথে কপিল মুনির আশ্রম। মকর সংক্রান্তির দিন পূণ্যার্থিরা সংঘবদ্ধ হন এই মন্দিরে, সারেন গঙ্গাস্নান। সুরু হয় পূজার্চনা।লাখো ভক্ত সমাগমে মন্দির চত্তর জমজমাট।মকর সংক্রান্তির পূণ্যলগ্নে এক ফ্রেমে গৃহী হোক বা সন্যাসী ,থাকেনা কোনো ভেদাভেদ।যাঁদের লক্ষ একটাই পাপ স্খালন,মোক্ষ লাভ।
ঐতিহ্যে আধুনিকতা…
পৌষের শেষ মাঘের শুরু এই সন্ধিক্ষণে বাঙালির ঘরে ঘরে পালিত হয় পৌষ পার্বণ। নতুন ধান গোলায় তুলে , রীতি মেনে সেই নতুন চালে পিঠে পুলির এই উৎসব। এটি একটি ফসল উৎসব হিসাবে পালন করা হয়। চালের আটা, নারকেল, দুধ এবং খেজুরগুড়ের সাথে তৈরি হয় পিঠেপুলি। বাড়ির মা, ঠাকুমা দিদিমারা গেরস্তালির সব কাজ শেষে বসতেন পিঠে পুলি বানাতে। শত ব্যস্ত্তার মধ্যেও এই ঐতিহ্য তাঁরা বজায় রেখেছিলেন। অবশ্য দিন বদলের সাথে চূড়ান্ত ব্যস্ত জীবনে ধরে তৈরি পিঠে পুলি লাটে উঠতে বসেছে। কেউ ই আজ আর ঝামেলা পোহাতে চান না। যদিও আধুনিকাতার মোড়কে নিজেকে মুড়িয়ে রেখেছে সবাই। অনেক কিছুর মত বাঙালির জীব্ন থেকে পিঠেপুলিও হারাতে বসেছে। তবু মনের সাধ মেটাতে তাই পৌষের শেষ বাঙালি র পাতে হোকনা দোকানের পিঠেপুলি।