শনিবার, ৬ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

বইমেলায় প্রতারকদের ঠেকাতে কড়া পদক্ষেপ করতে চলেছে কলকাতা ও বিধাননগর পুলিশ

News Sundarban.com :
জানুয়ারি ১৮, ২০২৪
news-image

বইমেলায় একদিকে যেমন দেশ-বিদেশের বইয়ের স্টল থাকে, তেমনই থাকে আরও কিছু অন্য ধরণের স্টলও। সঙ্গে অনুষ্ঠান, ক্যুইজ কনটেস্ট বা বিভিন্ন গেম শো। তার সঙ্গে থাকে আবার বিভিন্ন ধরণের লাকি ড্র ও পুরষ্কারের ঘোষণা। সেই কারণে অনেক সময়ই বইমেলায় যাওয়া ক্রেতাদের নাম বা ফোন নম্বর নেওয়া হয়ে থাকে। তবে বিভিন্ন ভুঁইফোড় সংস্থার এই ধরণের লাকি ড্র বা কুপনের মধ্যে লুকিয়ে থাকতে পারে প্রতারণার বীজ। এমনটাই খবর পুলিশ সূত্রে।

গত বছর বইমেলায় ১২ দিনে বিধাননগর ও কলকাতা পুলিশে এমন প্রতারণা ও প্রতারণার চেষ্টার অভিযোগ জমা পড়েছে মোট ১৪৭টি। বেশির ভাগ অভিযোগের ক্ষেত্রেই দেখা যায়, প্রতারিতরা নিজের নাম ছাড়াও ফোন নম্বর বা ইমেল আইডি-র মধ্যে কোনও একটা বইমেলায় ওইসব কুপনে উল্লেখ করে এসেছিলেন। আর সেই দিয়েই হয়েছে প্রতারণা। অভিযোগ, কারও ক্ষেত্রে হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে ব্যাঙ্কে গচ্ছিত টাকা তো, কারও ক্ষেত্রে অজান্তেই ঘাড়ে চেপেছে ঋণের বোঝা! কোথাও আবার ব্যক্তিগত তথ্য ছড়িয়ে দেওযার ভয় দিয়ে জোর করে নেওয়া হয়েছে টাকা।

এবার তাই এই ধরণের প্রতারকদের ঠেকাতে কড়া পদক্ষেপ করতে চলেছে কলকাতা ও বিধাননগর পুলিশ। সূত্রের খবর, শপিং মল, বাজার এলাকা বা মেলা চত্বর থেকে জোগাড় করা মানুষের এই সমস্ত তথ্যই চলে হয়ে যাচ্ছে জামতাড়া-সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা প্রতারকদের কাছে। সংগৃহিত সেই সব ফোন নম্বর বিক্রি হচ্ছে ডার্ক ওয়েবে।

এবার তাই এই ধরণের তথ্য সংগ্রহ আটকাতে শুরু থেকই মেলায় নজরদারি চালানোর পরিকল্পনা করেছে পুলিশ। সেক্ষেত্রে যাঁরা কুপন হাতে ঘুরবেন, তাঁদের সমস্ত তথ্য লিখে রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এমনকী তাঁরা কোন সংস্থার হয়ে কাজ করছেন, বা আদতেও কোনও সংস্থার প্রতিনিধি কি না, সেই বিষয়টিও খোঁজ নিয়ে দেখা হবে।