শুক্রবার, ১২ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

জাতীয় সঙ্গীত অবমাননার অভিযোগে রীতিমতো বিপাকে বিজেপি বিধায়করা

News Sundarban.com :
ডিসেম্বর ১, ২০২৩
news-image

জাতীয় সঙ্গীত অবমাননার অভিযোগে রীতিমতো বিপাকে বিজেপি বিধায়করা। তদন্তে নেমেই গেরুয়া শিবিরের বিধায়কদের তলব করল কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। আগামী সোমবার পাঁচ বিজেপি বিধায়ককে তলব করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

বুধবার বিকালে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রাজ্য বিধানসভা। বিআর আম্বেদকরের মূর্তির নিচে তৃণমূলের ধরনা কর্মসূচি চলছিল। উপস্থিত ছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরই মধ্যে শুভেন্দু-সহ বিজেপি বিধায়করা বিধানসভায় হাজির হন।

তৃণমূলের ধরনার কাছেই পালটা ধরনা শুরু করেন তাঁরা। ‘চোর, চোর’ স্লোগান দিতে থাকেন। এরই মধ্যে ধরনাস্থলে জাতীয় সঙ্গীত শুরু করে তৃণমূল। অভিযোগ, ওই জাতীয় সঙ্গীত চলাকালীনও নিজেদের মতো স্লোগান দেওয়া চালিয়ে যায় বিজেপি। জাতীয় সঙ্গীতের সময়ে উঠে না দাঁড়ানোয় বিজেপির ১২ জন বিধায়কের বিরুদ্ধে হেয়ার স্ট্রিট থানায় এফআইআর হয়েছে। কারণ, তাঁরা জাতীয় সঙ্গীতের অবমাননা করেছেন বলে অভিযোগ।

মোট ১২ জন বিজেপি বিধায়কের বিরুদ্ধে জাতীয় সঙ্গীত অবমাননার অভিযোগ এনে প্রথমে স্পিকারের দ্বারস্থ হয় তৃণমূল। পরে অভিযোগ দায়ের করা হয় হেয়ার স্ট্রিট থানায়। হেয়ার স্ট্রিট থানা মোট ১১ জন বিজেপি বিধায়কের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে। আদালতের বাধা থাকায় শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যায়নি। তৃণমূলের বক্তব্য, “জাতীয় সংগীতের অবমাননা করে ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ করেছেন বিজেপি বিধায়করা। তাঁদের ক্ষমা চাইতে হবে।”

হেয়ার স্ট্রিট থানা থেকে ওই মামলার তদন্তভার গিয়েছে লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগে। তদন্তে নেমেই আগামী সোমবার ৫ বিজেপি বিধায়ককে তলব করেছে লালবাজার। পরে বাকি বিজেপি বিধায়কদেরও তলব করা হতে পারে। শুধু তাই নয়, আইনি বাধা পেরিয়ে কীভাবে শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যায়, সেটা নিয়েও ভাবনা চিন্তা শুরু করছেন লালবাজারের কর্তারা। প্রয়োজনে আদালতের দ্বারস্থ হতে পারে পুলিশ।