শুক্রবার, ১৪ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

বিজেপি কর্মী সমর্থকের বাড়িতে চড়াও হয়ে মারধরের অভিযোগ তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতিদের বিরুদ্ধে,  গ্রেফতার ২

News Sundarban.com :
আগস্ট ২০, ২০২৩
news-image

সুভাষ চন্দ্র দাশ, গোসাবা : এক বিজেপি কর্মীর বাড়িতে চড়াও হয়ে মারধর করার অভিযোগ উঠলো তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতিদের বিরুদ্ধে।ঘটনায় জখম হয়েছেন ১০১ নম্বর আমতলি পঞ্চায়েত সমিতির পরাজিত প্রার্থী কিশোর মন্ডল,তাঁর বোন কণিকা মন্ডল ও মা ষষ্ঠী মন্ডল।বর্তমানে কিশোর মন্ডল ও তাঁর মা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।ঘটনার বিষয়ে আক্রান্ত বিজেপি কর্মীর বোন কণিকা মন্ডল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে শনিবার রাতে পুলিশ দুজন কে গ্রেফতার করেছে। ধৃতদের রবিবার আদালতে তোলা হয়েছে।

স্থানীয় সুত্রে জানা গিয়েছে,গোসাবা ব্লকের আমতলি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় পঞ্চায়েত নির্বাচনে ১০১ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির আসনে বিজেপির প্রার্থী হয়েছিলেন কিশোর মন্ডল। নির্বাচনে পরাজিত হয়েছেন।অভিযোগ শুক্রবার গভীর রাতে ওই বিজেপি কর্মীর বাড়িতে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতিরা চড়াও হয়।লাঠি,লোহার রড দিয়ে বেধড়ক মারধর করে।বিজেপি কর্মীকে বাঁচাতে এগিয়ে যায় তাঁর মা ও বোন। অভিযোগ তাদেরকেও বেধড়ক মারধর করা হয়েছে।ঘটনার খবর পেয়ে অন্যান্য বিজেপি কর্মীরা হাজীর হয়।আক্রান্ত বিজেপি কর্মী ও তার মা,বোন কে উদ্ধার করে রাতেই চিকিৎসার জন্য ছোট মোল্লাখালি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায়।বর্তমানে সেখানে ওই বিজেপি কর্মী ও তাঁর মা চিকিৎসাধীন রয়েছেন।ঘটনার বিষয়ে আক্রান্ত বিজেপি কর্মীর বোন কণিকা মন্ডল সুন্দরবন কোষ্টাল থানায় ৫ জনের নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নামে সুন্দরবন কোষ্টাল থানার পুলিশ। শনিবার রাতে প্রকাশ রায় ও বিশ্বজিৎ হাউলি নামে দুজন কে গ্রেফতার করে। ধৃতদের রবিবার আদালতে তোলা হয়েছে।

আক্রান্ত বিজেপির পরাজিত প্রার্থী কিশোর মন্ডল জানিয়েছেন, ১০১ নম্বর বুথে পঞ্চায়েত সমিতির আসনে প্রার্থী হয়েছিলাম,মনোনয়ন প্রত্যাহার করার জন্য চাপ দিয়েছিল।প্রত্যহার না করার জন্যর রাতের অন্ধকারে বাড়িতে চড়াও হয়ে মারধর করেছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতিরা।’

স্থানীয় বিজেপি নেতা শঙ্কর রায় জানিয়েছেন, ‘রাতের অন্ধকারে তৃণমূল আশ্রিত হার্মাদ বাহিনীরা আমাদের কর্মী ও তার পরিবারের উপর চড়াও হয়ে বেধড়ক মারধর করে। ঘটনায় তিনজন জখম হয়।তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতিরা প্রতিনিয়ত বিজেপি কর্মী সমর্থদের উপর অতর্কিতে আক্রমণ করে মারধর করছে।আমরা পুলিশ প্রশাসন কে জানিয়েছি।

অন্যদিকে ঘটনার কথা অস্বীকার করেছেন স্থানীয় জেলাপরিষদ সদস্য অনিমেশ মন্ডল। তিনি জানিয়েছেন,ঘটনার সাথে কোন প্রকার তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সমর্থকরা জড়িত নয়।জোর করে তৃণমূল কংগ্রেসের উপর দোষ চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।