বুধবার, ১২ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

যাদবপুর কাণ্ডে এবার রহস্য তৈরি হল প্রথম বর্ষের পড়ুয়া স্বপ্নদীপের একটি চিঠি ঘিরে

News Sundarban.com :
আগস্ট ১৩, ২০২৩
news-image
রহস্য তৈরি হল প্রথম বর্ষের পড়ুয়া স্বপ্নদীপের একটি চিঠি ঘিরে।অভিযোগ, ওই পড়ুয়াকে দিয়ে সেই চিঠিটি জোর করে লিখিয়ে নেওয়া হয়েছিল। যদিও সেই চিঠির হাতের লেখা এবং নীচের সইটি মৃত পড়ুয়ার করা কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে খবর পুলিশ সূত্রে। শনিবার তদন্তকারীরা জানিয়েছিলেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মেন হস্টেলের যে ঘরে প্রথম বর্ষের পড়ুয়া ‘অতিথি’ হিসাবে থাকছিলেন, সেই ঘর থেকেই উদ্ধার হয়েছে একটি ডায়েরি। আর যে চিঠিটি মিলেছে তা ওই ডায়েরির পাতায় লেখা হয়েছে বলে সূত্রে খবর। সরকারি আইনজীবী সৌরীন ঘোষাল এই প্রসঙ্গে জানান, ‘একটি চিঠি পাওয়া গিয়েছে। সেটি জোর করে লেখানো হয়েছিল।
এদিকে পড়ুয়া মৃত্যুর ঘটনায় শুক্রবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী তথা হস্টেলের আবাসিক সৌরভ চৌধুরী গ্রেফতার হন। এর পর রবিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও দুই পড়ুয়া মনোতোষ ঘোষ এবং দীপশেখর দত্তকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, শনিবার রাতভর জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁদের।
সরকারি আইনজীবীর দাবি, চিঠিটি মৃত পড়ুয়াকে দিয়ে জোর করে লিখিয়ে নেওয়ার নেপথ্যে মনোতোষ এবং দীপশেখরের ভূমিকা থাকতে পারে। চিঠিতে দেখা যাচ্ছে, সেটি বিভাগীয় সিনিয়রদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ডিন অফ স্টুডেন্টস’কে লেখা হয়েছে। অভিযোগ তোলা হয়েছে যে, বিভাগীয় সিনিয়রেরা হস্টেলের পরিবেশ নিয়ে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছেন। চিঠিতে এক জনের নামও নেওয়া হয়েছে। তিনিই প্রথম বর্ষের পড়ুয়াকে ‘ভয় দেখানোর’ চেষ্টা করছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে চিঠিতে। ডিনকে এ ব্যাপারে পদক্ষেপ করার আর্জিও চিঠিতে জানানো হয়েছে।
যদিও মৃত পড়ুয়ার পরিবারের দাবি, এই চিঠির হাতের লেখা স্বপ্নদীপের নয়। মৃত পড়ুয়ার মামা স্বরূপ কুণ্ডু  এই প্রসঙ্গে সংবাদ মাধ্যমকে জানান,  ‘চিঠিটা আমি দেখেছি। ওই হাতের লেখা স্বপ্নদীপের নয়। এ ব্যাপারে আমি ১০০ শতাংশ নিশ্চিত। আমাদের দাবি, হস্টেলে যারা থাকে, সকলের হাতের লেখা পরীক্ষা করা হোক। তা হলেই বোঝা যাবে, চিঠিটা কে বা কারা লিখেছে পরিষ্কার হয়ে যাবে। আমাদের মনে হয়, তদন্তকে প্রভাবিত করার জন্যই এই চিঠি ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।