শুক্রবার, ১৭ই মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

অচৈতন্য ছাত্রীকে উদ্ধার করে পরিবারের হাতে তুলে দিলেন দুই মহিলা ও সিভিক ভলেন্টিয়ার

News Sundarban.com :
জুন ১৩, ২০২৩
news-image

নিজস্ব প্রতিনিধি, ক্যানিং – অচৈতন্য এক স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধার করে তার পরিবারের হাতে তুলে দিলেন দুই সহৃদয় মহিলা ও দুই সিভিক ভলেন্টিয়ার।ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার রাতে ক্যানিংয়ের তালদি এলাকায়।

স্থানীয় সুত্রে জানা গিয়েছে তালদি সুরবালা উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রী কুলসুম সরদার।ওই ছাত্রীর বাড়ি তালদি পঞ্চায়েতের পূর্ব শিবনগর গ্রামে।প্রতিদিনের ন্যায় সোমবার তালদি স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় গৃহশিক্ষকের কাছে পড়তে গিয়েছিল।পড়া শেষ করে বাড়িতেই ফিরছিল ওই ছাত্রী।আচমকা তালদি স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় জ্ঞান হারিয়ে অচৈতন্য হয়ে রাস্তার ওপর পড়ে যায়। সেই মুহূর্তে ঝড় ও প্রবল বৃষ্টিপাত শুরু হয়।রাস্তার মধ্যে স্কুলের ব্যাগ কাঁধে পড়ে রয়েছে ওই ছাত্রী। নজরে পড়ে শম্পা ও শৈবা হালদার নামে স্থানীয় দুই মহিলার।তাঁরা তড়িঘড়ি ওই ছাত্রীকে অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার করেন।একটি অটোয় করে ক্যানিং মহকুমা হাসপালে পৌঁছায়।সেখানে দুই মহিলাকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয় ক্যানিং থানার সিভিক ভলেন্টিয়ার অনুপ মন্ডল ও সৌমেন মাহাতো।পরিস্থিতি ভালো নয় বুঝে তড়িঘড়ি ওই ছাত্রীর চিকিৎসা শুরু করেন ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসকরা। ততক্ষণে সামান্য জ্ঞান ফিরলে সিভিক ভলেন্টিয়ার ওই ছাত্রীর কাছে কাগজ কলম বাড়িয়ে দেয়।সে তার নাম ঠিকানা ও বাড়ির ফোন নম্বর লিখে দেয়।এরপর ওই সিভিক ভলেন্টিয়ার ওই ছাত্রী বাড়িতে যোগাযোগ করে খবর দেয়।বাড়ির লোকজন খবর শোনামাত্র রাত নটা নাগাদ ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে পৌঁছায়।ততক্ষণে দুই সিভিক ভলেন্টিয়ার ওই ছাত্রীর প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র ও কিনে দেয়।ঘন্টা তিনেক পর ওই ছাত্রী সুস্থবোধ করে।

ওই ছাত্রীর মা কুলসুম সরদার জানিয়েছেন , গত চার বছর আগে প্রচন্ড জ্বর হয়েছিল। তারপর থেকে মাঝেমধ্যে জ্ঞান হারিয়ে অচৈতন্য হয়ে পড়ে।কলকাতার হাসপাতালে চিকিৎসাও চলছে। এদিন পড়তে গিয়ে আবারও দুর্ঘটনা ঘটে।সহৃদয় দুই মহিলা ও সিভিক ভলেন্টিয়ার ভাই’রা না থাকলে বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারতো।তাঁদের কে অসংখ্য ধন্যবাদ।’