শুক্রবার, ২৭শে মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

ইউক্রেনের কোথায় কোথায় যুদ্ধ চলছে, একটি চিত্র দিয়েছেন যুক্তরাজ্যের রয়্যাল ইউনাইটেড

News Sundarban.com :
মার্চ ১৬, ২০২২
news-image

ইউক্রেনে রুশ হামলা আজ ২১তম দিনে গড়িয়েছে। এদিন স্থানীয় সময় রাত তিনটার পরই দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর লিভিভে সম্ভাব্য বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সাইরেন বাজানো হয়। শহরটি পোল্যান্ড সীমান্ত থেকে ১৫ মাইল দূরে।

দুই দিন আগে এই শহরের উপকণ্ঠে একটি সামরিক ঘাঁটিতে রুশ বাহিনীর ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কমপক্ষে ৩৫ জন ইউক্রেনীয় সেনা নিহত হন। রাশিয়া দাবি করে, হামলায় বিদেশি ভাড়াটে যোদ্ধারা নিহত হয়েছেন। এমন অবস্থায় ইউক্রেনের কোথায় কোথায় যুদ্ধ চলছে, তার একটি চিত্র দিয়েছেন যুক্তরাজ্যের রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেসের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ জাস্টিন ব্রঙ্ক। ইউক্রেনীয় ও রাশিয়ান বাহিনীর মধ্যে কোথায় কোথায় যুদ্ধ চলছে, সে বিষয়ে বিবিসিকে জানিয়েছেন তিনি।

কিয়েভ

রাজধানী কিয়েভের কিছু কিছু এলাকার এখনো মাঝেমধ্যে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চলছে। রাজধানীর উত্তর দিকের একটি শহরতলিতে তুমুল লড়াই চলছে। কিন্তু রাশিয়ার বাহিনীর ক্ষমতা সীমিত হয়ে আসছে। রুশরা এখন ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে আক্রমণ চালাচ্ছে। আর এভাবে আক্রমণ বড় অগ্রগতির জন্য যথেষ্ট নয়।

ব্রঙ্ক বলেছেন, ‘আমি মনে করি না, এভাবে চললে এই মুহূর্তে রাশিয়া কিয়েভের কেন্দ্রস্থল দখলে নিতে পারবে।’ তিনি বলেন, এ কারণে রাশিয়া কিয়েভ শহরে তাদের চাপ অব্যাহত রাখবে, যাতে ইউক্রনীয় পক্ষ যুদ্ধবিরতির আলোচনায় বাধ্য হয়।

ওডেশা

রাশিয়ার নৌবাহিনী বন্দর নগরী ওডেশায় গতকাল মঙ্গলবার বোমা ছুড়েছে। আজ সকালের দিকে তারা বন্দরের আরও কাছাকাছি এগিয়ে এসেছে।

জাস্টিন ব্রঙ্ক বলেন, ওডেশায় পূর্ণমাত্রায় আক্রমণ ইউক্রেনের জন্য হুমকি হতে পারে। কিন্তু এ ধরনের আক্রমণ রাশিয়ার জন্য এখনো সুবিধাজনক নয়। কারণ, নৌবাহিনীকে ইউক্রেনের স্থলসেনার মুখোমুখি হতে হবে। মাইকোলিভ শহরের দিকেও রাশিয়ার অগ্রগতি অনেকটাই আটকে আছে। যদি রাশিয়া শেষ পর্যন্ত ওডেশায় আক্রমণ পুরো দমে চালায়, তাতে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা আছে।

সবচেয়ে তীব্রতর যুদ্ধ চলছে পূর্বাঞ্চলে, বিশেষ করে রাশিয়া–নিয়ন্ত্রিত লুহানস্কে। রাশিয়ার কিছু সেনা নিপ্রো হয়ে পশ্চিমে যাওয়ার চেষ্টা করছেন, যাতে দক্ষিণে অবস্থানরত তাদের সৈন্যদের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। এতে ঝুঁকি হলো দনবাস অঞ্চলে এখনো অবস্থানরত ইউক্রেনীয়ান সেনারা অবরুদ্ধ হয়ে যেতে পারেন।