শুক্রবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ

নিউরো থেরাপি এর গুনাগুন নিয়ে কি লিখেছেন বিশেষজ্ঞ

News Sundarban.com :
অক্টোবর ১০, ২০২১
news-image

বলতে বলতে একদম দোরগোড়ায় পুজো এসে হাজির। এই পুজোয় বাড়িতে আত্নীয় স্বজনের সমাবেশ হতে শুরু করেছে। খাওয়া দাওয়া থেকে শুরু করে আনন্দ হৈ হূল্লরে ভরপুর। আসুন না সবাই মিলে রোগমুক্ত পরিবেশে গড়ে তুলি। এই পুজো থেকে নতুন অধ্যায় শুরু করা যাক। তা হলে জানতে হবে সেই নতুন অধ্যায়টি কি।                                   দেরি না করে জেনে নেওয়া যাক।

আজ থেকে ঔষধ কে বলে দিন বাই বাই। কারন, কোনো কিছু রোগ হলেই আমরা মুঠো মুঠো ঔষুধ খাই। শহরে তো ডাক্তারের অভাব নেই। কিন্তু এখনো পর্যন্ত অনেক গ্রাম গঞ্জেও ভালো ডাক্তার পাওয়া মুশকিল। তাহলে তাই বলে কি আমরা রোগ মুক্ত থাকব না। ।
অবশ্য রোগমুক্ত থাকব এবং সবাইকে রোগ মুক্ত রাখব। এমনই দৃঢ় প্রতিজ্ঞ বদ্ধ ড: লাজপত রায় মেহেরা রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং ইনস্টিটিউট।

এটি একটি অতি প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতির আধুনিক রূপ। এই চিকিৎসায় কোনরকম ঔষুধ বা যন্ত্র ব্যবহার করা হয় না, তাই এই চিকিৎসা সম্পূর্ন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াহীন নিরাপদ। প্রাচীন ভারতীয় সভ্যতায়, মিশরীয় সুমেরীয় এমনকি মায়া সভ্যতায় এই ধরনের চিকিৎসা উল্লেখ আছে। ড: লাজপত রায় মেহেরা (মুম্বাই) তাঁর জীবনের দীর্ঘ সময়ের নিরন্তর গবেষণা দ্বারা এই চিকিৎসাকে পুন:প্রতিষ্ঠা করেন।

এই চিকিৎসার পদ্ধতি অনুসারে রোগীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে হাত এবং পা দ্বারা নির্দিষ্ট চাপ দিয়ে রক্ত সঞ্চালনকে নিয়ন্ত্রণ করে নির্দিষ্ট গ্রন্থি অঙ্গ-প্রতঙ্গের অসমতাকে দূর করা হয়। বর্তমানে এই চিকিৎসা ভারতসহ বিশ্বের প্রায় সমগ্র দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। এই চিকিৎসা ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, থাইল্যান্ড, কানাডা দেশের সরকার এবং ভারত সরকারের আয়ুশ মন্ত্রালয় এবং মাননীয় রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি দ্বারা প্রশংসিত।

উল্লেখ্য রাষ্ট্রপতি ভবনের বিশেষ আমন্ত্রণে সেখানে আমাদের একটি স্থায়ী চিকিৎসা কেন্দ্র খোলা হয়েছে। কলকাতায় গত 15 বছর ধরে এই চিকিৎসা সফলতার সাথে চলেছে।

এই বিষয় নিয়ে লিখছেন নিউরো থেরাপির বিশেষজ্ঞ ডা.পীতাম্বর চক্রবর্তী

  1. এই  নিউরো থেরাপি কোন কোন বয়সীরা নিতে পারেন?

এই নিউরো থেরাপি একটি শিশু জন্মানোর ছয় মাস থেকে 90 বছরের বয়সীরা নিতে পারেন।

2.  ষাটোর্ধ্ব বয়সীরা এই থেরাপিতে কি সুফল পেতে পারে?

ষাটোর্ধ্ব বয়সে সাধারণত বাতের সমস্যায় ভোগেন। এছাড়া ঘাড়ে পিঠের সংক্রমণ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়, এইসব রোগের ক্ষেত্রে নিউরো থেরাপি এক বড় ভূমিকা রাখে।

প্রাচীনকালে যোগব্যায়ামের কথা অনুযায়ী নারী যোগা থেকে এই নিউরো থেরাপি নেওয়া হয়েছে। এক কথায় বলা যায় নারী মর্দন ক্রিয়া।

3. এখন 50 শতাংশ মহিলা ও গর্ভবতী মায়েরা সিস্ট সংক্রান্ত ভূগছে, এর কি কোনো নিউরো থেরাপিতে চিকিৎসা  রয়েছে?

নিউরো থেরাপি সিষ্ট বা টিউমার পেনক্রিয়াস পয়েন্ট নামক একটি পয়েন্ট রয়েছে, সেই পয়েন্টকে অ্যাক্টিভেট করে ভালো চিকিৎসা নেওয়া যেতে পারে। কিন্তু সাধারণত গর্ভবতী মায়েদের আমরা কোন ট্রিট্মেন্ট করি না। এই নিউরো থেরাপি বড় বড় সিস্ট বা টিউমার কে একদম গলিয়ে দেওয়ারও ক্ষমতা রাখে। আমাদের এই নিউরো থেরাপি এইসব রোগ নিয়ে প্রতিনিয়ত রিসার্চ করা হচ্ছে।

4. এখন মানুষ বেশি লিভারের সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছে, ফলে এই নিউরো থেরাপির কি ভূমিকা রয়েছে?

লিভারের জন্য এই নিউরো থেরাপি এক বিশেষ ভুমিকা রাখে। যে কোনো ধরনের জ্বরে ভুগছেন, এই থেরাপির মাধ্যমে জ্বর থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। এমনকি সিরোসিস সংক্রান্ত রুগীকে বাঁচানো গিয়েছে এই ট্রিটমেন্ট দিয়ে, কোনো অপারেশন ছাড়াই। পেটে জল জমা এমনও চিকিৎসা নিউরো থেরাপির দ্বারা ভালো হয়েছে।

ডা.পীতাম্বর চক্রবর্তী //+91 90517 24489

-পরবর্তী অংশ আগামী রবিবার