বুধবার, ১৯শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

রাতের অন্ধকারে বিষধর কেউটে সাপ ধরে সোজা হাসপাতালে

News Sundarban.com :
মার্চ ৯, ২০২১
news-image

নিউজ সুন্দরবন ডেস্ক:  রাতের অন্ধকারে রাস্তা দিয়েই বাড়ি ফিরছিলেন এক যুবক। কিছু বুঝে ওঠার আগেই অন্ধকারের রাস্তাতেই ছোবল মেরেছিল বিষধর কেউটে সাপ। রাতের অন্ধকারে সাপের কাপড় খেয়ে একচুলও বিচলিত না হয়ে,সাহস ও মনোবল কে কাজে লাগিয়ে কেউটে সাপটি তৎক্ষণাদ ধরে ফেলেন।পাশের বাড়িতে একটি কৌট নিয়ে ভরে ফেলে সাপটি।এরপর তড়িঘড়ি সোজা চলে যায় স্থানীয় চিকিৎসা কেন্দ্রে। ঘটনাস্থল দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার জীবনতলা থানার অন্তর্গত গৌড়দহ।

স্থানীয় সুত্রে জানাগেছে সোমবার রাতে বন্ধুদের সাথে বাড়িতে ফিরছিলেন সুজয় মন্ডল নামে এক যুবক। রাতের অন্ধকার বিষধর একটি কেউটে সাপ তার পায়ে কামড় দেয়। সাপটি ধরেই মুহূর্তে ঘুটিয়ারী শরীফ ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হাজির হয় চিকিৎসার জন্য। রাতে হাসপাতালে জ্যান্ত সাপ নিয়ে হাজীর হলে চিকিৎসকরা সাময়িক ভাবে বাক্ রুদ্ধ হয়ে পড়েন। সেখানে প্রাথমিক চিকিসার পর ওই যুবকের অবস্থার অবনি হলে তাকে ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করেন চিকিৎসকরা। বর্তমানে ওই যুবক ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালের সর্প বিশেষঞ্জ চিকিসক সমরেন্দ্র নাথ রায় বলেন “সাপে কাপড় দেওয়ার সাথে সাথে ওই যুবক হাসপাতালে আসায় চিকিৎসার সুবিধা হয়েছে। পর্যাপ্ত পরিমাণ প্রতিষেধক এভিএস দেওয়া হয়েছে। ফলে তিনি আপাতত বিপদমুক্ত।”

ক্যানিং যুক্তিবাদী সাংস্কৃতিক সংস্থার অন্যতম সদস্য দেবাশীষ দত্ত জানিয়েছেন, সাপে কামড়ানো নিয়ে বর্তমানে বিভিন্ন সচেতনতা মুলক প্রচারের জন ভালো ফল পরিলক্ষিত করা যাচ্ছে। আগে সাপে কামড় দিলেই সোজা গুনীণের দ্বারস্থ হতেন।মৃত্যু সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছিল। বর্তমানে সচেতনতার জন্য সাপে কামড় দিলে এখন সোজা সকাকারী চিকিৎসা কেন্দ্রে যাচ্ছেন। পরিষেবা পেয়ে সুস্থও হচ্ছে। মৃত্যুর হারও কমেছে। তাছাড়া সাপে কামড়ানো প্রতিষেধক একমাত্র সরকারী হাসপাতালেই পাওয়া যায়। ফলে সাপে কামড়ানো রোগীকে সরকারী চিকিৎসা কেন্দ্রে নিয়ে গেলে বিপদ এড়ানো সম্ভব।”