সোমবার, ২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

দীপ্তিমান ঘোষ ফের সহ সভাপতি

News Sundarban.com :
নভেম্বর ২৩, ২০২০
news-image

নিউজ সুন্দরবন ডেক্স: সৌমেন মিত্র প্রয়াত হওয়ার পর পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি আসনটি খালি ছিল। পরবর্তী অধ্যায়ে লোকসভায় কংগ্রেস দলনেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরীকে সৌমেন বাবুর শূন্য আসনে বসান কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী।

কংগ্রেসের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী একজন সভাপতি মারা গেলে তার কমিটি স্বাভাবিক নিয়মেই ভেঙ্গে যায়। ফলে অধীর বাবু সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করলেও, নতুন প্রদেশ কংগ্রেস কমিটি বলতে প্রথমে কিছু ছিল না।

পরে অধীর বাবুর সুপারিশ অনুযায়ী নিখিল ভারত কংগ্রেস কমিটির অন্যতম সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) শ্রীশ্রী বেনুগোপাল নতুন প্রদেশ কংগ্রেস কমিটি ঘোষণা করেন।

নতুন কমিটিতে ১১ জন সহ-সভাপতি রয়েছেন। ১৪ জন সাধারণ সম্পাদক রয়েছেন। এছাড়াও রয়েছেন অন্যান্য পদাধিকারীরা। এই ১১ জন সহ-সভাপতির মধ্যে অন্যতম হলেন দীপ্তিমান ঘোষ।

প্রসঙ্গত ইনি সৌমেন বাবুর কমিটিতেও অন্যতম সহ সভাপতি ছিলেন। একই সঙ্গে তাঁকে প্রদেশ কংগ্রেসের শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির অন্যতম সদস্য করা হয়েছে। এই শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির চেয়ারম্যান হলেন, কলকাতা হাইকোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী তথা প্রাক্তন বিধায়ক অরুণাভ ঘোষ।

উল্লেখ্য, দীপ্তিমান বাবুর পিতা প্রয়াতঃ পরিমল ঘোষ ছিলেন ইন্দিরা গান্ধী মন্ত্রিসভার অন্যতম সদস্য। তিনি ১৯৬৭ সালে তৎকালীন অবিভক্ত মেদিনীপুর জেলার ঘাটাল আসন থেকে লোকসভায় নির্বাচিত হন।

এর পরেই ইন্দিরা গান্ধী তাঁকে রেল দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী নিযুক্ত করেন।

পরবর্তী অধ্যায়ে তাঁকে কেন্দ্রীয় পূর্ত ও আবাসন দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী করা হয়। ১৯৮১ সালে ইন্দিরা গান্ধী পরিমল বাবুকে তুরস্কে ভারতের রাষ্ট্রদূত নিযুক্ত করেন। তিন বছর তিনি ওই দায়িত্ব পালন করেন।

এছাড়াও দীপ্তিমান বাবুর ঠাকুরদা সুপ্রিম কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী নলিনী রঞ্জন ঘোষ জলপাইগুড়ি থেকে দু-দুবার লোকসভা নির্বাচিত হন।

তিনি প্রথমবার নির্বাচনে জিতেন ১৯৫৮সালে। ওই বছর জলপাইগুড়ি আসনে তৎকালীন কংগ্রেস সাংসদের মৃত্যুর জন্য উপনির্বাচন হয়। সেই উপনির্বাচনে নলিনী বাবু জয়ী হন।

এরপর ১৯৬২ সালে সাধারণ নির্বাচনে তিনি আবার জলপাইগুড়ি থেকে লোকসভায় পুনর্নির্বাচিত হন।