সোমবার, ২২শে এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় রাজ্যে আরও ৪৫ হাজার বাড়ি তৈরির অনুমোদন

News Sundarban.com :
আগস্ট ২৬, ২০২০
news-image

নিউজ সুন্দরবন ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকার প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা বা হাউজিং ফর অল প্রকল্পের আওতায় রাজ্যের ৪৬টি পুর এলাকায় নতুন ৪৫ হাজার বাড়ি নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছে।সম্প্রতি কেন্দ্রীয় নগরোন্নয়ন মন্ত্রকের প্রধান সচিব দুর্গাশঙ্কর মিশ্রের নেতৃত্বে একটি বৈঠকে রাজ্যে ওই প্রকল্পের অগ্রগতি খতিয়ে দেখার পর নতুন বাড়ি গুলি নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া হয়।পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন শীঘ্রই পুর এলাকায় নতুন বাড়ি নির্মাণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে। নগরোন্নয়ন দপ্তর সূত্রে খবর, কোন কোন পুরসভায় নতুন করে বাড়ি নির্মাণের কর্মসূচি নেওয়া হবে, তার তালিকা তৈরির কাজ শুরু হয়েছে।
কেন্দ্রের ‘হাউজিং ফর অল’ প্রকল্পে এরাজ্যে ‘বাংলার বাড়ি’ নামে পরিচিত। মূলত, পুরসভা এলাকায় বস্তিবাসী ও গৃহহীনদের মাথার ওপর ছাদের ব্যবস্থা করা এই প্রকল্পের উদ্দ্যেশ্যে। প্রতিটি বাড়ি পিছু বরাদ্দকৃত অর্থের পরিমাণ ৩ লক্ষ ৬৮ হাজার টাকা। এর মধ্যে কেন্দ্র দেয় ৪০ শতাংশ। সমপরিমাণ ভাগ রাজ্যকে দিতে হয়।

বাকি ২০ শতাংশ টাকা দেয় উপভোক্তা। এখন পর্যন্ত এরাজ্যে বিভিন্ন পুরসভা মিলিয়ে ১ লক্ষ ২১ হাজার বাড়ি নির্মাণের কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। ২ লক্ষ ২৩ হাজার ৭৯৫টি বাড়ির কাজ চলছে। ৮ লক্ষেরও বেশি বাড়ি নির্মাণের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে। সকলের জন্য বাড়ি প্রকল্পে রাজ্যের অগ্রগতি বিশেষ করে সাফল্যের সঙ্গে ১০০ শতাংশ ‘জিওট্যাগিং’ করার জন্য কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যের প্রশংসা করেছে। ’

প্রকল্পে কাজের অগ্রগতি খতিয়ে দেখছে নগরোন্নয়ন মন্ত্রক। সম্প্রতি মন্ত্রকের প্রধান সচিব দুর্গাশঙ্কর মিশ্রের নেতৃত্বে একটি বৈঠকও হয় দিল্লিতে। সেখানে প্রতিটি রাজ্যের কাজ নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ করেন মন্ত্রকের আধিকারিকরা। তাতে দেখা গিয়েছে, কেন্দ্রের ‘গাইড লাইন’ মেনে প্রকল্প রূপায়ণে একমাত্র এগিয়ে পশ্চিমবঙ্গ। বিশেষ করে প্রকল্পের সঙ্গে ‘জিওট্যাগিং’ প্রযুক্তি যুক্ত করার ক্ষেত্রে বাংলার ধারেকাছে নেই কোনও রাজ্য। আর এই ‘জিওট্যাগিং’ হল প্রকল্পের উপর ‘ডিজিটাল’ নজরদারির অন্যতম মাধ্যম। এতে স্বচ্ছতা রক্ষা করে কাজ করা সহজ হয়।প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রতিটি পদক্ষেপেই কেন্দ্রের দেওয়া ‘গাইড লাইন’ মেনেছে রাজ্য। তাই নতুন করে ৪৫ হাজার বাড়ি নির্মাণের অনুমোদন চেয়ে আবেদন করেন তাঁরা। সঙ্গে সঙ্গেই সেই আবেদন গ্রহণ করে চটজলদি অনুমোদনও দিয়ে দেন মিশ্র। কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মিশ্রকে রাজ্যে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন পুরমন্ত্রী। জানা গিয়েছে, রাজ্যের ৪৬টি পুরসভায় এই নতুন বাড়ি নির্মাণের কর্মসূচি নেবে নগরোন্নয়ন দপ্তর।