বৃহস্পতিবার, ২০শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

অকাল বৃষ্টিতে ক্ষতির মুখে বোরো চাষীরা

News Sundarban.com :
এপ্রিল ২৮, ২০২০
news-image

সাহিল আনোয়ার, মথুরাপুর :  

রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় দ্বি-ফসলি জমিতে বরো ধান চাষের জন্য কৃষকরা শীতের মধ্যে বড়ো ধান চাষ শুরু করেন । জানুয়ারি মাসের শেষের দিক থেকে বোরো ধান চাষ করতে শুরু হয়। এপ্রিল মাসের মধ্যে সেই ধান পাকতে শুরু করে। তারপর কাটতে আরম্ভ করে কৃষকরা। মথুরাপুর, রায়দিঘি, কুলপি, কাকদ্বীপ, মন্দিরবাজার, পাথরপ্রতিমা, উস্তি, মগরাহাট জুড়ে চলে বোরো চাষ। পর্যাপ্ত জল পাওয়ার জন্য সার ব্যবহার করে থাকেন কৃষকেরা। ব্যবহার করে থাকেন প্রয়োজনমতো সার। কারন এই চাষে ধানের ফলন বেশি পাওয়া যায় বলে চাষে আগ্রহী কৃষকরা। এখন ধানে পাক ধরতে শুরু করেছে। কিছুদিন পর থেকেই শুরু হবে ধান কাটা। পাকা ধানের মুখেই অকাল ঝড় বৃষ্টিতে ক্ষতির মুখে বোরো চাষ। একদিকে সর্বোচ্চ প্রশাসনের নির্দেশে দেশ জুড়ে চলা লকডাউনের জেরে মানুষ কর্মহীন হয়ে গৃহবন্দী। সেইসঙ্গে অকাল ঝড় বৃষ্টিতে ক্ষতির মুখে পড়েছেন কৃষকরা। কৃষকরা জানান, বুলবুল ঝড়ের জন্য ব্যাপক ক্ষতি হয় সবজি ও আমন ধান চাষে । ফলে এবারে একটু বেশি লাভের আশায় বোরো ধান চাষ ও সবজি চাষ বেশি করা হয়েছিল মাঝে মধ্যে বৃষ্টির ফলে ক্ষতি হচ্ছিলো চাষে । তার মধ্যে সারা করোনা ভাইরাসের হাত থেকে বাঁচাতে দেশজুড়ে লকডাউনের জেরে বন্ধ দোকানপাট । সেজন্য কৃষি চাষের জন্য যে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ঔষধ প্রয়োজন ছিল সেটা দেওয়া সম্ভব হয়নি। তার উপর মাঝে মধ্যে ঝড় বৃষ্টি। একদিকে লকডাউন আর অন্যদিকে ঝড় বৃষ্টির মাঝে পড়ে ক্ষতি বোরো ধান চাষে। রবিবার থেকে শুরু হয় বৃষ্টির সঙ্গে ঝড়ো হওয়া। কয়েকদিন ধরে চলা ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষতি হয় বরো ধান চাষে। মাটিতে শুয়ে পড়ে ধান গাছ। বেশিদিন গাছ মাটিতে পড়ে থাকলে পোকায় ক্ষতি করবে ধান। ধান ও ঝরে যাচ্ছে। সেজন্য ধান গাছ গুলো কাঁচা অবস্থায় কেটে নিতে হচ্ছে। কাটতে গিয়ে লোকের প্রয়োজন। লোক পাওয়া যাচ্ছে। আর হাতে টাকাও নেই।