বৃহস্পতিবার, ২৩শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

ওরা ঘরে ফিরতে চেয়ে কাতর আবেদন জানালো

News Sundarban.com :
মার্চ ৩১, ২০২০
news-image

 

ক্যানিং -ওরা ঘরে ফিরতে চেয়ে কাতর আবেদন জানালো প্রশাসনের কাছে।ওরা প্রত্যন্ত সুন্দরবনের বাসন্তী ব্লকের ১৬ জন শ্রমিক।জীবনজীবীকার তাগিদে ভিন রাজ্যে কাজে গিয়ে করোনার কোপে আটকে পড়েছেন।বাড়ীতে ফিরতে চেয়ে প্রশাসনের কাছে কাতর আবেদন জানিয়েছে।
উল্লেখ্য যুদ্ধ কালীন পরিস্থিতিতে সমগ্র রাজ্য তথা দেশ জুড়ে চলছে লকডাউন। আর এমন পরিস্থিতির জন্য সর্বত্র বন্ধ রয়েছে যানবাহন,বাজারহাট থেকে স্কুলকলেজ পর্যন্ত। যাতে করে কোন ভাবেই করোনা আতঙ্ক ছড়িয়ে না পড়ে এবং প্রভাব বিস্তার করটে না পারে তার জন্য বন্ধ হয়েছে সমস্ত ধরনের কাজকর্মও। আর এই কাজকর্ম বন্ধ হওয়ায় কর্মহীন হয়ে পড়েছেন এ রাজ্য থেকে ভিনরাজ্যে যাওয়া শ্রমিকরা।একদিকে লকডাউন আর অন্যদিকে করোনা ত্রাস। এই দুইয়ের মাঝে পড়ে বাড়ীতে ফিরতে পারছেন না ভিনরাজ্যে থাকা শ্রমিকরা।যতটুকু খাদ্যদ্রব্য এবং পয়সাকড়ি সঞ্চিত করেছিলেন সেই সঞ্চিত অর্থ কিংবা খাদ্যদ্রব্য প্রায় শেষের পথে।করোনার জেরে জেরবার হয়েই সঙ্কটময় মুহূর্তে বাড়ীতেই ফিরতে চাইছেন ভিনরাজ্যে থাকা শ্রমিকরা। আর বাড়ী ফিরতে চেয়েই রাজ্য সরকারের কাছে কাতর আবেদন জানিয়েছেন তারা।দিল্লী,মহারাষ্ট্র,গুজরাট,কর্ণাটক,কেরল সহ অন্যান্য রাজ্যে শ্রমিকের কাজ করেন। করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলার জন্য লকডাউন চলায় কেউ বাড়ীতে ফিরতে পারছেন না।দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার প্রত্যন্ত সুন্দরবন এলাকার গোসাবা,বাসন্তী,ক্যানিং ব্লকের প্রচুর শ্রমিক ভিনরাজ্যে কাজে গিয়ে আটকে পড়েছে।রাজ্য সরকারের তৎপরতায় প্রচুর শ্রমিক বাড়িতে ফিরলেও এখনও পর্যন্ত ভিনরাজ্যে বহু শ্রমিক আটকে পড়েছেন।আর এমন সংকটময় পরিস্থিতির জন্য মালিকরাও বেপাত্তা। অন্যদিকে যতটুকু খাবারদাবার ছিল তাও প্রায় শেষাগত।এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়ে রাডী ফেরার জন্য ভিডিও বার্তার মাধ্যমে রাজ্য সরকারের কাছে কাতর আবেদন জানাচ্ছেন ভিন রাজ্যে কাজে গিয়ে আটকে পড়া শ্রমিকরা।সুন্দরবনের বাসন্তী ব্লকের লাল্টু সরদার,বিনোদ রায়,শংকর সরদার,বাদল সরদার,পিন্টু সরদার,লখিন্দর সরদার,হারান নাইয়া,সুখচাঁদ সরদার,স্বপন রায়,সুব্রত মাঝি,প্রবীর সরদার,দেবনাথ সরদার,ষষ্ঠী সরদার,বিশ্বজিৎ সরদার,দিবাকর সরদার,বিশ্বনাথ সরদার’রা কেরলের কোজহিকোডে(Kozhicode)জেলার কুট্টিক্কত্তোর(Kuttikkattoor)এই মুহূর্তে ১৬ জনের একটি শ্রমিকদল আটকে পড়ে চরম বিপর্যয়ের মধ্যে রয়েছে।তাদের কাতর আর্জি যেনতেন প্রকারে রাজ্যসরকার আমাদের উদ্ধার করে বাড়ীতে পৌঁছে দিক।