শনিবার, ১৩ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের পাশে পঞ্চায়েতের প্রধান ও সদস্যরা

News Sundarban.com :
ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২০
news-image

বিশ্লেষণ মজুমদার,ক্যানিং:

দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার সুন্দরবনের ক্যানিং-১ ব্লকের মাতলা-১ ও ২, দিঘীরপাড়,বাঁশড়া,গোপালপুর সহ বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ও পঞ্চায়েত সদস্যরা এদিন সকালে থেকে রাস্তায় নেমে বিভিন্ন ক্যাম্পিংয়ের মাধ্যমে পরীক্ষার্থী ছাত্র ছাত্রীদের পাশে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে তাদের পাশে দাঁড়ালেন।তাঁরা ছাত্রছাত্রীদের হাতে তুলেদিলেন পানীয় জলের বোতল,ছোলা,বাতাসা। পাশিপাশি ক্যানিং বাসষ্ট্যান্ড থেকে রায়বাঘিনী হাইস্কুল,ক্যানিং ডেভিড সেশুন হাইস্কুল,দ্বারিকানাথ বালিকা বিদ্যালয় এবং গ্যাব্রিয়েল স্কুলের প্রায় ৪০০ জন পরীক্ষার্থীর যাতায়াতের জন্য টোটো গাড়ী রিজার্ভ করে দেন যাওয়া আসার জন্য। এর পাশাপাশি আবার ছাত্রছাত্রীদের কথা মাথায় রেখে জরুরী পরিষেবার জন্য রাখা হয়েছে মেডিকেল টিম। রাখা হয়েছে অ্যাম্বুলেন্সও।কোন কারণে কোন ছাত্রছাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়লে চট জলদি কাছাকাছি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার জন্য এই ব্যবস্থা।এমনকি হাসপাতালে বসে সেই ছাত্র ছাত্রী যাতে পরীক্ষা দিতে পারে তারও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়াও কোন কারণে ছাত্রছাত্রীরা পথে আটকে পড়লে তারা যাতে নির্দিষ্ট সময়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছাতে পারে তার জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে টাটাসুমো এবং একাধিক বাইক। একথায় যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে পরীক্ষার্থীদের সমস্থ রকম সহযোগিতা করার জন্য প্রস্তুত ক্যানিংয়ের মাতলা ২ গ্রাম পঞ্চায়েত।
মঙ্গলবার সকাল থেকে ক্যানিং বাসষ্ট্যান্ডে রীতিমতো তাঁবু খাটিয়ে বসে মাতলা ২ গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান উত্তম দাস বলেন “ছাত্রছাত্রীরা তাদের জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষায় বসছে। যাতে কোন প্রকার অসুবিধা কিংবা বাধা বিঘ্ন না ঘটে তার জন্য আমরা পঞ্চায়েত থেকে সমস্ত রকম উদ্যোগ নিয়ে পরীক্ষার্থীদের পাশে থাকবো পরীক্ষা শেষ হওয়া পর্যন্ত। প্রধান উত্তম দাসের পাশে দাঁড়িয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছেন মাতলা ১ গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান হরেন ঘোড়ুই,ক্যানিং ১ পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য পরেশ রাম দাস,। জেলাপরিষদ সদস্য তপন সাহা সহ অন্যান্যরা।
অন্যদিকে মাতলা ২ গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান উত্তম দাসের এমন উদ্যোগ কে সাধুবাদ জানিয়েছেন মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের অভিভাবক রা।
সুশান্ত মন্ডল,অবনী সরদার,রুপালী নস্কর রা জানিয়েছেন-ক্যানিং ষ্টেশন থেকে বাসষ্ট্যান্ড আসতেই জনা চারেক যুবক আমাদের জোর করে টোটোয় তুলে দেন। পাশাপাশি টোটো চালক কে আমাদের পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছে দিতে বলেন। প্রথমে অবাক হয়ে গেলেও পরে টোটো থেকে নেমে ভাড়া দিতেই টোটো চালক ভাড়া না নিয়েই বললেন “পরীক্ষা শেষ হলে আবার আসবো আপনাদের পৌঁছে দেওয়ার জন্য। প্রধান উত্তম দাসের নির্দেশ আছে। ভাড়া নিতে পারবোনা। উনি সমস্ত ভাড়া দিয়ে দেবেন। ”