শুক্রবার, ১৯শে আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

 গঙ্গাসাগর মেলাকে সুপার ক্লিন মেলা হিসাবে তুলে ধরতে বদ্ধপরিকর গঙ্গাসাগর-বকখালি উন্নয়ণ পরিষদ

News Sundarban.com :
জানুয়ারি ৫, ২০২০
news-image

বিশ্লেষণ মজুমদার,  ক্যানিং: 

ভারতবর্ষের দ্বিতীয় বৃহত্তম মেলা গঙ্গাসাগর ।সারা বছর ধরেই এই গঙ্গাসাগর মেলায় পূণ্যার্তীদের আনাগোনা দেখা গেলেও প্রতিবছর জানুয়ারী মাসে মেলাকে উপলক্ষ্য করে দেশ বিদেশের লক্ষ লক্ষ পূণ্যার্থীরা ভীড় করেন এই পূণ্যক্ষেত্র কপিল মুনির আশ্রম গঙ্গাসাগর।
আর এই বৃহত্তম মেলার আয়োজনের কোন প্রকার খামতি যাতে না হয় তার জন্য প্রশাসনিকভাবে বিভিন্ন রকম উদ্যোগ নেওয়া হয়ে থাকে প্রতিবছর।
ইতিমধ্যে প্লাসটিক দ্রব্য মানবজাতি তথা পরিবেশের উপর কর্তৃত্ত করে এক বিশাল প্রভাব বিস্তার করেছে। যা আগামী দিনে এক ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির সম্মূখীন হবে এই প্লাসটিক জাতীয় দ্রব্যের ব্যবহারের বাড় বাড়ন্তের জন্য।ইতিমধ্যে রাজ্যের বৃহত্তম গঙ্গাসাগর মেলাকে সুপার ক্লিন মেলা হিসাবে তুলে ধরতে বদ্ধপরিকর গঙ্গাসাগর-বকখালি উন্নয়ণ পরিষদ।ইতি মধ্যে গঙ্গাসাগর মেলাকে প্লাসটিক মুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েই মেলা প্রাঙ্গনে প্রতিটি দোকানদার কে সচেতন করে প্লাসটিক বর্জনের আহ্বান জানিয়ে তাদের হাতে পর্যাপ্ত পরিমান কাপড়ের ব্যাগ,কাগজের ব্যাগ,চটের বস্তাজাতীয় ব্যাগ তুলে দিয়েছেন।পাশাপাশি গঙ্গাসাগরের মূল মেলা প্রাঙ্গণ, মেলার আশেপাশে এমন কি কচুবেড়িয়া,কাকদ্বীপ লট ৮ পর্যন্ত রাস্তার দুপাশে স্বচ্ছ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য গঙ্গাসাগর-বকখালি উন্নয়ণ পরিষদ এই সমস্ত জায়গায় ময়লা আবর্জনা ফেলার জন্য ডাষ্টবিন রেখেছেন। আবার সর্বদা মেলা এবং আশপাশের এলাকা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য প্রতিদিন ৪০ জন মহিলা ঝাড়ুদার নিয়োজিত রয়েছেন এই কাজে।
গঙ্গাসাগর-বকখালি উন্নয়ণ পরিষদ এক আধিকারীক জয়ন্ত মন্ডল বলেন “সমগ্র গঙ্গাসাগর মেলাসহ আশে পাশের রাস্তাঘাট প্লাসষ্টিক বর্জন এবং মেলা প্রাঙ্গণে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন সুন্দর পরিবেশ গড়ে তোলার জন্য গত ১ জানুয়ারী থেকে প্রতিদিন ৪০ জন মহিলা অনবরত ঝাড়ু হাতে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে বদ্ধ পরিকর।এমন উদ্যোগ চলবে আগামী ১৭ জানুয়ারী পর্যন্ত। এরপর ও যদি প্রয়োজন হয় তবে মহিলা ঝাড়ুরদাররা তাদের এই কাজ অনির্দিষ্ট কালের জন্য চালিয়ে যাবেন।তিনি আরো বলেন যেনতেন প্রকারে বৃহত্তম গঙ্গাসাগর মেলাকে “সুপার ক্লিন মেলা” হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করা।যা ভারতবর্ষে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে। ”