শুক্রবার, ৯ই জুন, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ

রাজ্যে আরও ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প গড়ে তুলতে মাঠে নামতে হবেঃমুখ্যমন্ত্রী

News Sundarban.com :
আগস্ট ২১, ২০১৮
news-image

সোমবার নিউটাউনের বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের সম্মেলনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বিগত সাত বছরে দেশের মধ্যে সবথেকে বেশি ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ইউনিট গড়ে উঠেছে। এই ক্ষুদ্র ও মাঝরি শিল্প ইউনিটের সংখ্যা ৫২ লক্ষেরও বেশি। সাত বছরে গড়ে নতুন ইউনিট নথিভুক্তের সংখ্যাও ২৮ হাজার অধিক। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প আরও গড়ে তুলতে হবে। সেজন্যই মাঠে নেমে কাজ করার দরকার। রাজ্যের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে সাফল্যের কথা তুলে ধরে দফতরের আধিকারিককে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, ক্ষুদ্ধ ও মাঝারি শিল্পের মাধ্যমে বহু কর্মসংস্থান ঘটে। সেই কথা মাথায় রেথে সবাইকে ময়দানে নেমে কাজ করতে হবে। এই পরিপ্রেক্ষিতে তিনি যেমন গত সাত বছরে এক কোটি কর্মসংস্থানের উদাহারণ তুলে ধরেছেন, তেমনই ভবিষ্যতের লক্ষ্যমাত্রাও সামনে রেখেছেন।
সরকারি দফতরের আধিকারিকদের জন্য তাই বিশেষ বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই ৩৮১টি ক্লাস্টার তৈরি হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী এ ব্যাপারে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প দফতরের সচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে দায়িত্ব দিয়েছেন জেলার কাজ পর্যবেক্ষণ করতে। মুখ্যমন্ত্রী নিজে সেই রিপোর্ট দেখবেন বলে জানিয়েছেন। জেলা শিল্প আধিকারিকের দফতর, দফতরের প্রধান সচিব ও মন্ত্রীর মধ্যে সমন্বয় রেখে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। এই মর্মে তিনি উদ্যোগীপতিদের কথা যেমন তিনি মন দিয়ে শোনেন, ক্ষুদ্র-মাঝারি শিল্পে আগ্রহ বাড়ানো ও ক্লাস্টার তৈরির পরামর্শও দেন।
মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, তাঁর সরকার ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের প্রসারের ব্যাপারে আগ্রহী। এই মর্মে শিল্পীদের পাশেও দাঁড়িয়েছে সরকার। ৭৬ হাজার তাঁত শিল্পীকে তাঁত বোনার যন্ত্র দেওয়া হয়েছে। ৬৬ হাজার শিল্পীকে ক্রেডিট কার্ড দেওয়া হয়েছে। ৯৫ হাজার শিল্পীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। ফলে ব্যবসা তৈরির সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে রাজ্যের মানুষকে। শুধু এখানেই শেষ নয়, এবার মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে সরকারি আধিকারিকরা জেলায় জেলায় ঘুরে মানুষকে ছোট লগ্নিতে ব্যবসা করার পরামর্শ দেবেন। শিল্পের বিস্তার ঘটাতে সাহায্য করবেন।