মঙ্গলবার, ১৮ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

রাতারাতি উদ্বাস্তু হয়ে গেলেন চল্লিশ লক্ষ মানুষ: মুখ্যমন্ত্রী

News Sundarban.com :
জুলাই ৩০, ২০১৮
news-image

অনিশ্চয়তা আর আশঙ্কায় বহু মানুষ।জাতীয় নাগরিক পঞ্জীকরণের নামে অসমে বাঙালি, বিহারী খেদাও চলছে। সোমবার নবান্নে এমনটাই অভিযোগ করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।আরও একবার বাঙালির প্রতি চক্রান্ত ও জাতিবিদ্বেষের অভিযোগ তুললেন তৃণমূল নেত্রী ৷ দেশের বাসিন্দা হয়েও রাতারাতি শরণার্থী ৪০ লক্ষ মানুষ ৷ অসমের দ্বিতীয় খসড়া এনআরসি-তে চল্লিশ লক্ষ মানুষের নামে লালকালির দাগ। কার্যত রাতারাতি উদ্বাস্তু হয়ে গেলেন চল্লিশ লক্ষ মানুষ। মোট তিন কোটি তিরিশ লক্ষ আবেদনকারীর মধ্যে প্রকাশিত হয়েছে দু’কোটি নব্বই লক্ষের নাম। বাকিরা যাবেন কোথায়?তিনি এও বলেন,আধার কার্ড, ভোটার কার্ড, এমনকি পাসপোর্টও আছে তাও নাম বাদ ৷ হিন্দু-মুসলিম নাম-পদবি দেখে চক্রান্ত করে বেছে বাঙালিদের নাগরিকপঞ্জি থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে ৷ তৃণমূলনেত্রী বলেন, দেশবাসীকেই রিফিউজির তকমা দিচ্ছে ৷ ৪-৫ প্রজন্ম ধরে অসমে বাস, তারপরও এমন বাঙালি পরিবারের নাম বাদ পড়েছে খসড়া পঞ্জি থেকে ৷ বাঙালি খেদাও চলছে অসমে ৷ সংসদে তৃণমূল প্রতিবাদ করছে ৷ প্রয়োজনে আমিও অসমে যাব ৷’বিষয়টি নিয়ে সংসদে নতুন আইন আনার দাবি করেছেন তিনি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
তালিকায় হিন্দু মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের মানুষের নাম নেই দাবি করে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, কেন্দ্র বিভাজন তৈরির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ভোট ব্যাঙ্ক চিনে নিয়ে বিরোধীদের বিচ্ছিন্ন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
একইসঙ্গে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে ‘ডিভাইড অ্যান্ড রুল’ চালানোর অভিযোগও এনেছেন তিনি ৷ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘কারও সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না ৷ ইচ্ছে করে ইন্টারনেট বন্ধ করে দিয়েছে ৷ বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং-এর সঙ্গে তিনি আলাদা করে কথা বলবেন বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। পশ্চিমবঙ্গেও অসম, মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ, বিহারের লোক থাকে বলে জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, মুর্শিদাবাদ কিংবা উত্তরবঙ্গের লোকদেরও অসমে বহিরাগত তকমা দেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং-এর সঙ্গে তিনি আলাদা করে কথা বলবেন বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। পশ্চিমবঙ্গেও অসম, মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ, বিহারের লোক থাকে বলে জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, মুর্শিদাবাদ কিংবা উত্তরবঙ্গের লোকদেরও অসমে বহিরাগত তকমা দেওয়া হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তিনি নিজেও অসম যেতে পারেন।