বুধবার, ২২শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

সায়ন্তিকা-জয়ের ঘটনায় নয়া দিক

News Sundarban.com :
জুলাই ৭, ২০১৮
news-image

সম্পর্কের টানাপোড়েন না অন্যকোনো ঘটনা। টালিগঞ্জের অভিনেত্রীকে হেনস্থা ও তাঁর গাড়ি ধাওয়া করে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে টলি-অভিনেতা সঞ্জয় মুখোপাধ্যায় ওরফে জয়ের বিরুদ্ধে। অভিযোগের জেরে সঞ্জয়কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সাদার্ন অ্যাভিনিউ দিয়ে যাওয়ার সময় অভিনেত্রী সায়ন্তিকার গাড়িকে ধাওয়া করে জয়ের গাড়ি। মাঝ রাস্তায় ওভার টেক করে আটকে দেওয়া হয় টলিউড অভিনেত্রীর গাড়ি। পরিস্থিতি বেসামাল দেখে গাড়ি ভিতর থেকে লক করে দেন অভিনেত্রীর গাড়ির চালক। সেই অবস্থায় গাড়িতে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ রয়েছে অভিনেতা জয় মুখোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। এই অভিযোগ তুলে টালিগঞ্জ থানার পুলিশের দ্বারস্থ হন অভিনেত্রী সায়নন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। সায়ন্তিকার অভিযোগের প্রেক্ষিতে জয়কে গ্রেফতার করে পুলিশ। এদিন তাঁকে আলিপুর কোর্টে তোলা হবে । এদিকে, অভিনেতার বিরুদ্ধে মারধর, ভাঙচুর, কটুক্তি সহ একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে কী কারণে এই ঘটনা ঘটেছে তা খতিয়ে দেখতে চলেছে পুলিশ। সূত্রের খবর, সায়ন্তিকার সঙ্গে একটা সময়ে ভালো সম্পর্ক ছিল জয়ের। কিন্তু সেই সম্পর্ক আচমকা ভেঙে যেতেই অভিনেত্রীকে লক্ষ্য করে এমন হামলা করেন জয়। এই প্রথম নয়, এর আগেও জয় এভাবে সায়ন্তিকাকে হেনস্থা করেছেন বলে দাবি অভিনেত্রীর।
আবার অপরদিকে, অভিনেত্রী এবং অভিনেতার মধ্যে বিবাদের কারণ নাকি আসলে ২৫ লাখ টাকা!জয়ের পরিবারের তরফে দাবি করা হচ্ছে, সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে ২৫ লাখ টাকা পান জয়। বারবার সেই টাকা চাওয়া সত্ত্বেও টলি নায়িকা সেই টাকা দিতে অস্বীকার করেছেন, এমনই দাবি জয়ের পরিবারের।জয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাই জানিয়েছেন, জয় এবং সায়ন্তিকা, দু-জনে মিলে দক্ষিণ কলকাতার শঙ্খমণি অ্যাপার্টমেন্টে একটি ফ্ল্যাট কিনেছিলেন। কথা ছিল, ফ্ল্যাটের দাম বাবদ ৩০ লাখ টাকা করে দেবেন দু’জনেই। জয় পূর্ব শর্ত অনুযায়ী ৩০ লাখা টাকাই দেন। কিন্তু অভিনেত্রী পিছু হঠেন। ৫ লাখ টাকা দিলেও বাকি ২৫ লাখ টাকা নাকি আর দেননি সায়ন্তিকা। এই কারণেই জয়-সায়ন্তিকার মধ্যে বচসা হয় এবং পরিস্থিতি এই জায়গায় পৌঁছায় বলে জানিয়েছেন জয়ের ভাই।
দীর্ঘ নয় বছর লিভ-ইন সম্পর্কে ছিলেন জয়-সায়ন্তিকা। কয়েক মাস হল তাঁদের বিচ্ছেদ হয়েছে। টলিপাড়ায় এমনও শোনা যায়, মত্ত অবস্থায় জয় সায়ান্তিকাকে মারধর করত। মানসিক এবং শারীরিক অত্যাচার সহ্য করতে না পেরেই নাকি জয়ের সঙ্গ ত্যাগ করেন সায়ন্তিকা। যদিও এই সব অভিযোগই অস্বীকার করেছে জয়ের পরিবার। ধূমপান ছাড়া আর কোনও নেশাই জয়ের ছিল না, মদ কখনও ছুঁয়েও দেখেননি, দাবি জয়ের পরিবারের।