বৃহস্পতিবার, ২৩শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

মুখ্যমন্ত্রীর সবুজ সাথী’ প্রকল্পে হাত ধরে গ্রামাঞ্চলে স্কুল ছুট পড়ুয়ার সংখ্যা কমেছে৷

News Sundarban.com :
ফেব্রুয়ারি ১২, ২০১৮
news-image

মুখ্যমন্ত্রীর ২০১৫ সালে প্রথম স্কুল পড়ুয়াদের জন্য সবুজ সাথী প্রকল্পটি চালু করেছিলেন৷ সবুজ সাথী’ প্রকল্পে গ্রামাঞ্চলে সাইকেল বিলির জেরে রাজ্যের গ্রাম্গুলিতে স্কুল ছুট পড়ুয়ার সংখ্যা কমেছে৷ রাজ্য সরকার ক্ষমতায় আসার পর শ্রেণী কল্যাণ দফতরের মাধ্যমে দু’দফায় ৪০ লক্ষ পড়ুয়ার হাতে বিনামূল্যে সাইকেল তুলে দেওয়া হয়েছে৷ এরফলে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, বীরভূম কিংবা মুর্শিদাবাদের মতো পিছিয়ে পড়া জেলার গ্রামাঞ্চলে স্কুল ছুটের সংখ্যা অনেকখানি কমেছে৷ সম্প্রতি এক সমীক্ষায় এমনই দাবি করেছে স্কুল শিক্ষা দফতর৷ এই প্রকল্পের এর ফলে স্কুলছুটের সংখ্যা অনেকটাই কমছে। যার ফলে রাজ্যের শিক্ষিতের হার বৃদ্ধি হচ্ছে৷ পিছিয়ে পড়া জনজাতির ছেলেমেয়েদের সমাজের মূল স্রোতে ফিরছেন৷ ফলে সার্বিকভাবে পশ্চিমবঙ্গের অভ্যন্তরীণ বৃদ্ধির পথকে আরও সুগম করবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।
সমীক্ষকদের দাবি, রাজ্যের মোট ৪০ হাজার ২১৮টি গ্রামের মধ্যে মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের স্কুলের সংখ্যা যথাক্রমে ৯ হাজার ২৪২টি এবং ৬ হাজার ৫০০টি। গ্রামের বাইরে পাঁচ কিলোমিটার এবং তার চেয়ে দূরে অবস্থিত মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলের সংখ্যা যথাক্রমে ৬ হাজার ৪টি এবং ১১ হাজার ৫৭০টি। বাকিগুলি তার চেয়েও আরও দূরে অবস্থিত। সরকারি কর্তাদের দাবি, সবজু সাথী প্রকল্পে সাইকেল বিলির জেরে পিছিয়ে পড়া জেলাগুলিতে বিগত বছরের থেকে স্কুলছুটের সংখ্যা মারাত্মক কমেছে। ওই মহলের মতে, এতদিন দূরত্বের কারণে অনেকেই স্কুল ছুট হয়ে যেতেন৷ কিন্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে যেভাবে ৪০ লক্ষ ছেলে মেয়ের হাতে সাইকেল তুলে দেওয়া হয়েছে, তাতে এখন গ্রাম থেকে ৫ কিমি দূরে স্কুল হলেও সাইকেলের দৌলতে ছেলে মেয়েরা সংশ্লিষ্ট পথ উজিয়ে সাইকেলে চড়ে স্কুলে যাচ্ছেন৷