শনিবার, ২৫শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

সুস্থতার চাবিকাঠি

News Sundarban.com :
জানুয়ারি ১৫, ২০১৮
news-image

শ্রেয়শ্রী ব্যানার্জী: 

কথায় বলে স্বাস্থ্যই সম্পদ।সুস্থ থাকার চাবিকাঠি চিন্তামুক্ত জীবন নিরভেজাল খাওয়াদাওয়া।রোজকার ইঁদুরদৌড়ের জীবনে নিজের খেয়াল রাখার সময় আজ আর কারও নেই বলেই চলে।তবু ব্যস্ত কর্মসূচীর মধ্যে থেকে একটু যদি নিজের জন্য সময় বের করা যায় তবে ক্ষতি কি? আজ্কের দিনে দাঁড়িয়ে আমরা যাই খাইনা কেন তার বেশীর ভাগটাই ভেজাল।কিন্ত যা খাচ্ছি তার থেকে সঠিক খাদ্যগুন বেছে খাওয়া উচিত।
সুঠাম চেহারা আর তার সাথে সুস্থ নিরোগ দেহ, আর কি চাই। কিন্ত জমছেমেদ, বাড়ছে ওজন আর তার সাথে পাল্লা দিয়ে ভুঁড়ি,হচ্ছে গ্যাস অম্বল। শীত কাল মানেই ফুলকপি, বাঁধাকপি, গাজর, শালগম, মূলো থেকে পেঁয়াজ কলি, ভোজন রসিক মানুষের কাছে এ একসুখকর সময়।সবজি খাওয়া স্বাস্থ্য কর হলেও রসেবসে থাকলে ওজনতো বাড়বেই।ওজন কমাতে শীতে বেশি করে আপেল, আঙুরএবংকমলালেবু খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন ডায়েটিশিয়নরা।ফিটনেস ধরে রাখতে এইতিন ফলের জুড়িমেলা ভার। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, আপেলখেলেওজনকমেদ্রুত। দিনে তিনটি আপলে খেতে পারলে আপনিও হতে পারেন তন্বী।আপেলে থাকা ফাইবারই ওজন কমিয়ে আপনাকে ফিট করে তুলবে। আঙুরেও কমতে পারে আপনার ওজন।আঙুরে থাকা ফাইবার যেমন শরীরের অতিরিক্ত মেদ ঝরিয়ে দেয়, তেমনি কমায় রক্তে অতিরিক্ত শর্করা।১০০গ্রাম আঙুরে মাত্র ৮০ক্যালরি ফ্যাট থাকে।তাই পেট ভরিয়ে ওজন কমাতে বেশি করে আঙুর খান।আঙুর এবং আপেলের মতোই অতিরিক্ত ওজন ঝরাতে পারে কমলালেবু।শীতেরদুপুরে রোদ পোহাতে পোহাতে যদি ভিটামিন সি-এভর্তি কমলালেবু খেতে শুরু করেন, কয়েক দিনের মধ্যেই কমতে শুরু করবে আপনারও ওজন।কমলালেবুতে থাকা ফাইবার এবংজল আপনার ওজন কমিয়ে দিতে সাহায্য করে।
এবার আসি একটু অন্যরকম খাদ্য আলোচনায়।দিনের সুরু হোক সবুজ চা এর সাথে।প্রচলিত ভারতীয় এবংচীনা ঔষধ হিসাবে ব্যবহার করা হয় এই সবুজ চা।সবুজ চা ক্যান্সার সহ বিভিন্ন ধরণের রোগ প্রতিরোধধক।শরীরের বাড়তি মেদ ঝরাতে খুবই উপকারি।খাদ্যতালিকায় জুড়ে নিন মধু কে। এলার্জি, ডায়াবেটিস, অনিদ্রা, কাশিএবংক্ষতউপষমকারি। প্রতিদিন সকালে গরমজ্লে পাতিলেবুর রস সাথে মধু খেলে শরীরে মেদ ঝরে।রোজর খাবার খাওয়ার সাথে সাথে প্রচুর পরিমানে জ্ল শরীরের পক্ষে উপকারি। প্রতিদিনঅন্তত নিয়ম করে ঘণ্টা খানেক হাঁটুন। লিফটের পরিবর্তে, সিঁড়ি ব্যবহার করুন।স্লিম ছিপ ছিপে চেহারাই এখন সবাই তার। কিন্তু সে জন্য খাদ্য ত্যাগ নয়। নিয়মিত পরিমিত খাদ্য গ্রহণ সাথে একটু শরীর চর্চা। এতেই আপনি হয়ে উঠবেন গ্ল্যামার কুইন।