বুধবার, ৬ই জুলাই, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

পূর্ণিমার কোটালে নদীর বাঁধ ভেঙে তলিয়ে গেল বাসন্তী ব্লকের ছয়টি বাড়ি

News Sundarban.com :
নভেম্বর ৬, ২০১৭
news-image

পূর্ণিমার ভরা কোটালে নদীর বাঁধ ভেঙে জলে তলিয়ে গেল বাসন্তী ব্লকের ছয়টি বাড়ি। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তী ব্লকের রাধাবল্লভপুর সজনেতলা এলাকায়। শনিবার রাতে রাস পূর্ণিমার ভরা কোটালে জল বাড়ে সুন্দরবনের হোগলা নদীতে। সেই জলচ্ছ্বাসে এই রাধাবল্লভপুর সজনেতলা এলাকার নদীর পাড়ে ধস নামে। আর সেই ধসের ফলেই এই হোগলা নদীর পাড়ে থাকা ছটি বাড়ি তলিয়ে যায় নদী গর্ভে। অভিযোগ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির পাশে দাঁড়ায়নি কেউই। শনিবার রাতে স্থানীয় বাসন্তী পঞ্চায়েতের প্রধান ঘটনাস্থলে এলেও, এই বাঁধ মেরামতি বা গৃহহীন মানুষগুলির জন্য কিছুই করেননি বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন এলাকার মানুষজন।
দিন পনেরো আগেও অমাবস্যার ভরা কোটালের জলে ধস নেমেছিল এই হোগলা নদীতে। হোগলা নদীর তীরবর্তী এই রাধাবল্লভপুর সজনেতলা এলাকায় দিনের বহু দিন ধরেই নদীবাঁধের বেহাল দশা। এর আগেও একাধিকবার এই এলাকায় নদীবাঁধে ধস নামে। বহু বাড়ি ইতিমধ্যেই তলিয়ে গিয়েছে নদী গর্ভে। তবুও প্রশাসনিক স্তর থেকে এই নদীবাঁধ মেরামতির জন্য কোনও ব্যবস্থাই নেওয়া হয়নি বলেই অভিযোগ স্থানীয়দের। এমনকী ক্ষতিগ্রস্ত এই মানুষগুলিকে সাহায্য করার জন্য কেউ এগিয়ে ও আসেননি। এর আগের অমাবস্যার কোটালে এলাকায় নদীবাঁধে বিশাল ফাটল দেখা দিয়েছিল বলে দাবি স্থানীয়দের। তখনই স্থানীয় বিডিও অফিসে এবং পঞ্চায়েত অফিসে জানিয়েছিলেন স্থানীয় মানুষজন। কিন্তু প্রশাসন সেই কথায় কর্ণপাত করেনি বলে অভিযোগ। স্থানীয়দের অভিযোগ সেই কারণেই শুক্রবার রাতে এলাকার বিস্তীর্ণ এলাকায় ধস নামে। যার ফলে এলাকার ছয়টি বাড়ি নদী গর্ভে তলিয়ে যায় বলে দাবি। যদিও গ্রামবাসীদের এই অভিযোগ মানতে রাজি নন স্থানীয় বিডিও কল্লোল বিশ্বাস। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই ওই এলাকায় নদীবাঁধে ভাঙন রয়েছে। কোনও মানুষ ওই এলাকায় বাস করেন না। যে বাড়িগুলি নদীগর্ভে তলিয়ে গিয়েছে সেগুলি পরিত্যক্ত। তবে এ বিষয়ে সেচ দফতরকে জানানো হয়েছে। সেচ দফতরের তরফ থেকেই ওই নদীবাঁধ মেরামতি করা হবে।