শুক্রবার, ২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

কারখানার জমিতে নজরদারির নামে সিন্ডিকেট রাজ

News Sundarban.com :
সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৭
news-image

দুর্গাপুরে বন্ধ রাষ্ট্রায়াত্ত কারখানার জমিতে নজরদারির নামে সিন্ডিকেট রাজের অভিযোগ | দুর্গাপুরের বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত বার্ণ স্ট্যান্ডার্ড কারখানার জমি দখল করে রমরমা ব্যাবসা চলছে |
প্রায় দেড় দশক যাবৎ বন্ধ কারখানা। পড়ে রয়েছে কয়েক কোটি টাকার সম্পত্তি। নজরদারির নামে অবাধে চলছে সিন্ডিকেটরাজ। কারখানার জমিতে গড়ে উঠেছে সাইকেল স্ট্যান্ড। ভাড়ায় খাটছে সংস্থার আবাসন। মোটা টাকার বিনিময়ে লীজে সংস্থার পুকুরে চলছে মাছ চাষ। এমনই রমরমা ব্যাবসা চলছে দুর্গাপুরের বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত বার্ণ স্ট্যান্ডার্ড কারখানায়। প্রশ্ন উঠেছে সরকারি নজরদারি নিয়ে।
দুর্গাপুর রেল স্টেশন লাগোয়া রাষ্ট্রায়ত্ত বার্ন স্ট্যান্ডার্ড কারখানা। ১৯০৫ সালে তৈরী হলেও ১৯৭৭ সালে কারখানাটি কেন্দ্র সরকার অধিগ্রহন করে। প্রায় ৬০ একর জমির ওপর কারখানাটি। কারখানা চত্ত্বরে রয়েছে তিনটি পুকুর। মুলত ফায়ার ব্রীকস, উন্নতমানের টালি তৈরী হত। ওই ফায়ার ব্রীকস বিভিন্ন কারকানার ফার্নেস তৈরীতে ব্যাবহৃত হয়। সাতের দশকে কারখানাটিতে কর্মী সংখা ছিল প্রায় পাঁচ’শ। গত ২০০০ সালে কর্মীদের সেচ্ছাবসর দিয়ে কারখানাটি বন্ধ করে দেয়। ওই সময় একটি বেসরকারী সংস্থা কারখানার নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োগ হয়। কিন্তু বছর দুয়েক পর ওই সংস্থাটি পাততড়ি গুটিয়ে চলে যায়। আর তারপর থেকে কারখানায় দুস্কৃতিদের স্বর্গরাজ্য হয়ে ওঠে। আবাধে চুরি হতে থাকে কারখানার মুল্যবান যন্ত্রাংশ। তারপর থেকে কারখানার নজরদারিকে সামনে রেখে অবসর প্রাপ্ত শ্রমিকেরা সিন্ডিকেট তৈরী করে। সদস্য ২৫ জন। আর ওই সিন্ডিকেট নিরাপত্তার কাজ করলেও কোন বৈধ অনুমতি নেই। আবার ওই সিন্ডিকেট নিরাপত্তার সাফাই দিলেও আবাধে চলছে কারখানার যন্ত্রাংশ চুরি। নজরদারির পিছনে কারখানার সম্পত্তি ব্যবহার করে চলছে রমরমিয়ে ব্যাবসা। কারখানা চত্ত্বরে রয়েছে বার্ন স্ট্যান্ডার্ড কোম্পানীর ২৬ টি আবাসন। যেগুলি রুম পিছু মাসে আট’শ থেকে হাজার টাকায় ভাড়া খাটছে। শুধু তাই নয়। স্টেশনের সামনে থাকায় রমরমিয় চলছে সাইকেল স্ট্যান্ডের ব্যাবসা।