মঙ্গলবার, ১১ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

চারমাস স্কুল জলমগ্ন, সমস্যায় পড়ুয়া থেকে শিক্ষক

News Sundarban.com :
সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১৭
news-image

এবারের বর্ষায় রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হলেও বন্যা দেখা দেয়নি দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায়। কিন্তু তাতে কি? দক্ষিণ ২৪ পরগণার বাসন্তী ব্লকের আমঝাড়া অবৈতনিক প্রাথমিক স্কুলটিকে দেখলে মনে হবে এটাও বন্যা কবলিত এলাকা। স্কুলের চারপাশে জল আর জল। স্কুলে প্রবেশ করতে বা স্কুল থেকে বেরোতে গেলে কম করে এক হাঁটু জলে আপনাকে নামতেই হবে। শুধু এবছর নয়, প্রতি বছরই বর্ষার সময় তিন থেকে চার মাস এই স্কুলটি চলে যায় জলের তলায়। আর সেই জল ঠেলেই স্কুলে যেতে হয় পড়ুয়াদের। প্রতিবছর বর্ষাকালেই জলমগ্ন হয় এই স্কুলটি। বর্ষাকাল থেকে শুরু করে আগামী তিন থেকে চার মাস কার্যত জলের তলায় চলে যায় স্কুল। দুশোর বেশী পড়ুয়া নিয়ে তাই স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকাদের এই জল ভেঙেই স্কুলে যেতে আসতে হয়। জল ঠেলে যেতে গিয়ে প্রায়শই ঘটে দুর্ঘটনা। কখনো বই খাতা নিয়ে স্কুলের পড়ুয়ারা জলে পড়ে যাচ্ছে তো কখনো শিক্ষক শিক্ষিকারা। কার্যত নিকাশি ব্যাবস্থা না থাকার কারনেই এই জমা জল বের হতে পারে না স্কুল চত্বর থেকে। ফলে জমা জল থেকে প্রতিনিয়ত ছড়াচ্ছে দূষণ। শুধু তাই নয়, স্কুলের সামনেই রয়েছে পানীয় জলের টিউবওয়েল, শৌচালয় সবকিছুই জলের তলায়। এই জমা নোংরা জলেই আবার অনেক পড়ুয়া তাদের মিড ডে মিল খাওয়ার থালা বাসনও ধুয়ে নিচ্ছে। স্কুলের জমা জলেই চড়ে বেড়াচ্ছে হাঁস। জমা জলে ইতি উতি তৈরি হচ্ছে ঝোপ ঝাড়। স্কুল মাঠ জলমগ্ন হওয়ায় স্কুলে এসে খেলাধুলাও বন্ধ পড়ুয়াদের। বারে বারে এ বিষয়ে স্কুল প্রাথমিক স্কুল পরিদর্শকে জানিয়েছেন স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রবীন্দ্র মণ্ডল। স্থানীয় মানুষজন ও এ বিষয়ে সরব হয়েছেন, প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে জানিয়েছেন। কিন্তু তবু বদলায়নি এই প্রাথমিক স্কুলটির জল যন্ত্রণার ছবিটা। প্রশাসনের তরফ থেকে শুধু আশ্বাস মিললেও বাস্তবের মাটিতে তা প্রতিফলিত