বৃহস্পতিবার, ১৮ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

আবারও পেছাল ফেলানী খাতুন হত্যা মামলা রিটের শুনানি

News Sundarban.com :
সেপ্টেম্বর ৯, ২০১৭
news-image

সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে কুড়িগ্রামের কিশোরী ফেলানী খাতুন হত্যা মামলায় করা রিটের শুনানি আবারও পেছাল। আগামী ২৫ অক্টোবর পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট।

শুক্রবার ভারতের সুপ্রিম কোর্টের ৯নং আদালতে বিচারপতি রামায়ণ ও বিচারপতি অমিতাভ রায়ের যৌথ বেঞ্চে এ রিটের শুনানি হওয়ার কথা ছিল। নিহত ফেলানির বাবা নুরুল ইসলাম নুরু এ রিট আবেদনটি করেন।

শুনানি পেছানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নুরুল ইসলাম নুরুর সহায়তাকারী কুড়িগ্রামের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আব্রাহাম লিংকন।

এতে আবারও ন্যায়বিচার পাওয়া নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছে নিহত ফেলানীর পরিবার। ফেলানীর বাবা নুরুল ইসলাম বলেন, ‘ভারতে গিয়ে সাক্ষ্য দিয়ে এলাম। তারা অন্যায় রায় দিল। রিট করলাম। কিন্তু বারবার শুনানির দিন পাল্টাচ্ছে। জানি না এবারও ন্যায়বিচার পাব কি-না।’ একইভাবে শঙ্কা প্রকাশ করেন ফেলানীর মা জাহানারা বেগম।

২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি বাবার সঙ্গে ভারতের বঙ্গাইগাঁও থেকে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার অনন্তপুর সীমান্ত দিয়ে আসার সময় আন্তর্জাতিক সীমানা পিলার নং ৯৪৭-এর কাছে বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষের গুলিতে প্রাণ হারায় কিশোরী ফেলানী। এ হত্যাকাণ্ড নিয়ে দেশে ও বিদেশে তীব্র সমালোচনার মুখে কোচবিহারে বিএসএফের বিশেষ আদালতে বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষকে অভিযুক্ত করে অভিযোগ গঠন করা হয়। হত্যাকাণ্ডের দুই বছর ৮ মাস পর ২০১৩ সালের ৬ সেপ্টেম্বর অভিযুক্ত অমিয় ঘোষকে নির্দোষ ঘোষণা করে রায় দেন বিএসএফ বিশেষ আদালত। সে রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করা হলে ২০১৫ সালের ২ জুলাই বিএসএফ আদালত অমিয় ঘোষকে নির্দোষ বলে পুনরায় রায় দেন।

এরপর ভারতের মানবাধিকার সুরক্ষা মঞ্চের (মাসুম) সহায়তায় ফেলানী হত্যার বিচার ও ক্ষতিপূরণ চেয়ে ভারতের সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেন নুরুল ইসলাম নুরু।